ঢাকা: সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ-কে গ্রেপ্তারের পর বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী-এর গুম সংক্রান্ত নতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন। তবে ঘটনার নেপথ্য, পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ডিবি ইতোমধ্যে তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে শেখ মামুন খালেদ জানিয়েছেন, গুমের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল। ইলিয়াস আলী ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে একটি পার্শ্ববর্তী দেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং এ বিষয়ে আন্দোলনও করেন। এর ফলে তিনি তৎকালীন সরকারের রোষানলে পড়েন। তিনি আরও দাবি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিএফআই প্রধান এবং র্যাবের মহাপরিচালককে গুমের নির্দেশনা দেন। পুরো অপারেশন বাস্তবায়ন করে র্যাব-১ ...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকায় নিজের ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন এক বাবা। গত সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হলফনামার মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন মো. আবু জাফর। হলফনামা সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটী ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবু জাফর তার ছেলে মো. নাহিদ হাসান সবুজকে ত্যাজ্যপুত্র হিসেবে ঘোষণা করেছেন। অভিযুক্ত নাহিদ হাসান সবুজ ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হলফনামায় মো. আবু জাফর উল্লেখ করেন, তার পুত্র দীর্ঘদিন ধরে তার অবাধ্য এবং অবান্তর জীবনযাপন করে আসছিলেন। তিনি বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন না এবং নিজের খেয়ালখুশিমতো আলাদা থাকেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও নাহিদ হাসান এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সবুজের সক্রিয় অংশগ্রহণের সংবাদ পাওয়ার পর তাক...
ময়মনসিংহ জেলায় নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ কামরুল হাসান। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। নতুন পুলিশ সুপার বলেন, ময়মনসিংহ জেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে কাজ করবে। একই সাথে অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সাথে পুলিশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা নতুন পুলিশ সুপারকে স্বাগত জানান এবং তাঁর নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
মন্তব্যসমূহ