🔴 ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে গোপন সন্ত্রাস ও অপকর্মের অভিযোগ: আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা
মানবতার পাশে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগানকে ধারণ করে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠন রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর ময়মনসিংহ সদর দপ্তরের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩ (তিন) মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে ময়মনসিংহ অঞ্চলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—
১. আহ্বায়ক: মোঃ শওকত ফকির শাওন
২. সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: নীর আলুল কাইয়ুম
৩. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ আলমগীর
৪. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ বুরহান
৫. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ রানা
৬. সদস্য সচিব: মোঃ মামুন মিয়া
৭. সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ রুবেল মিয়া
৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ কায়সুল
৯. দপ্তর ও সমন্বয় সম্পাদক: মোঃ রাকিব মন্ডল
১০. প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক: মোঃ আবু কাইছার আলম
১১. ক্রীড়া সম্পাদক: মোঃ নাজমুল হাসান
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত করবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।
রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আকাশ অভি এবং সাধারণ সম্পাদক লামিয়া চৌধুরী কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই কমিটি মানবতার কল্যাণে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য শুধু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাই ক্ষুণ্ন করে না, ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকেও প্রভাবিত করে। একজন প্রার্থীর সম্পদ, মামলা বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ভোটারের জানার অধিকার। এসব তথ্য গোপন হলে ভোটার প্রকৃত যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হারান। দীর্ঘ মেয়াদে এতে জনপ্রতিনিধিত্বের প্রতি আস্থা কমে এবং নির্বাচনি ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম এ বিষয়ে বলেন, ‘হলফনামায় প্রার্থীদের মিথ্যাচার রোধে আরপিওতে এ ধরনের সংশোধনী অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে প্রয়োগের ওপর। কারণ শুধু আইন থাকলেই হবে না, রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে না পারলে হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি বদলাবে না।’ তার মতে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদে নৈতিক সংকট তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর।
ইসির আইনি বেড়াজাল ও পরিকল্পনা
হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি রোধে এবার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, হলফনামায় কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়ই তা বাতিল করা যাবে। এমনকি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এমপির পদ বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে ইসি।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে কমিশন। প্রার্থীদের জন্মতারিখ, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়, ঋণ, ফৌজদারি মামলার তথ্যসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলফনামায় বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি প্রার্থীর হলফনামার তথ্য অসত্য প্রমাণে দালিলিক কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।
প্রার্থীদের তথ্য গোপন রোধে ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধান প্রার্থীদের জন্য একটি বার্তা, এবার আর মিথ্যা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’ অরেক ইসি মো. আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটা তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরপিওতে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল হবে, এমনকি নির্বাচিত এমপি হলেও তার পদ চলে যেতে পারে।’
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন হলফনামার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি পরীক্ষা। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তাহলে ‘হাল বাংলা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশ্ন মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে কেন সদর-বারহাট্টা আসনের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠানের মনোনয়ন বাতিল হবে না!
🗳️ গণভোট ২০২৬
✋ দেশের চাবি আপনার হাতে
আসন্ন গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে জনমত গঠন, সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার এবং জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মিটিং হলে এক বৃহৎ ও তাৎপর্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত অরাজনৈতিক সাধারণ জুলাই আহত যোদ্ধারা, Red July সামাজিক সংগঠন, Warriors of July, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, গণভোট ২০২৬ দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জনগণের মতামতকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে আনতে এই গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই দল-মত নির্বিশেষে সকল সচেতন নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণভোটের পক্ষে কাজ করতে হবে।
সভায় আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করা, আহত যোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা ও ত্যাগকে সামনে রেখে জনসচেতনতা সৃষ্টি, শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন এবং আলোচনার ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ধারাবাহিক সভা, গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভা শেষে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জনগণের অধিকার ও মতামত প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এরপর মিটিং শেষে অংশগ্রহণকারীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণা চালান এবং সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে অবাধে ঘোরাফেরা করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন আকাশ অভি।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তথ্য থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের আইনের আওতায় না আনা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কোনো বিশেষ স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাঁর নাম উঠে এসেছে, তিনি এলাকায় পিন্টু সিফাত নামে পরিচিত (৪৭)। তাঁর পিতা পিন্টু মিয়া, বাড়ি নেত্রকোনা জেলা। স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলামিনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তাকে ছাত্রদলের ওয়ার্ড কমিটিকে কেন্দ্র করে ছাত্র দলের সঙ্গে চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে বলে আলোচনা রয়েছে। জানা গেছে, তিনি কাচিজুলি মোড়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ লাইন, লাকীবাড়ী, কাসর এলাকার এক বাসিন্দা (নাম উল্লেখযোগ্য)—যিনি আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত—কোনো দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ ছাড়াই প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকাশ অভির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশের এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে আকাশ অভি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হলে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতা
দিলদার হোসেন স্বপন, ফেনীদিলদার হোসেন স্বপন, ফেনী
প্রকাশিত : ২২:৪১, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৪, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতাX
আরও দেখুন
TV & Video
সংবাদ সম্মেলন
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১২ দলীয় জোটে অংশ নেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পদে থাকা পাঁচ নেতা পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সব কার্যক্রম থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন— এনসিপি ফেনী জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক শুভ ও আবদুর রহিম এবং সদস্য নূরে আজিম, জুনায়েদ হোসেন ও আজিজুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতি করার কথা বললেও বর্তমানে দলটি নিজস্ব মতাদর্শ থেকে সরে এসেছে। ব্যক্তিগত ও নীতিগত অবস্থান বিবেচনায় তারা স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজ থেকে তিনি দলের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।
✪ আরও পড়ুন: শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে কক্সবাজার যাবেন তারেক রহমান
পদত্যাগকারী নেতা ওমর ফারুক শুভ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যখন তিনদলীয় জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, তখন আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম। তখন সেটি ছিল রাষ্ট্র সংস্কার জোট। কিন্তু বর্তমানে যে জোটে দলটি যুক্ত হয়েছে, আমরা তার বিরোধিতা করছি। এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে নির্বাচনের জন্য জোটে যোগ দেয়ায় আমরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
পদত্যাগপত্রে অনুলিপি দেয়া হয়েছে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে, যার মধ্যে রয়েছেন- এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত ও সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক।
ঘূর্ণিঝড়ের মতো ফিরছে একটাই নাম: আকাশ অভি!
তরুণ সমাজ থেকে প্রবীণ ভোটার—সব জায়গায় এখন একটাই স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে—
“পরিবর্তন চাই! আকাশ অভি চাই!”
শহরের চিত্র এখন পুরো বদলে গেছে।
মেইন রোড, ব্যস্ত মোড়, ইউনিয়ন ভিলেজ, বাজার—যেদিকে চোখ যায়, সেখানেই শাপলা কলি প্রতীকের সাদা সমুদ্রে ঢেকে গেছে দেয়াল।
রাতভর পোস্টার লাগানোর দৃশ্য যেন উৎসবের মতো।
বলা হচ্ছে, গত দশকে এমন গণজোয়ার এই আসনে কেউ দেখেনি।
পুরনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে জনরোষ—নতুন আশার আলো আকাশ অভি
বছরের পর বছর যারা জনগণের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে,
যাদের রাজনীতি ছিল দমন-পীড়ন-দুর্নীতির চক্রে আটকে—
তাদের বিরুদ্ধে এবার আকাশ অভি হয়ে উঠেছেন সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
জনগণের ভাষায়—
“আমরা আর ভয়-রাজনীতি, দলবাজি, স্বার্থের নেতৃত্ব চাই না।
এই আসন এবার ফেরত যাবে মানুষের হাতে—আকাশ অভির মাধ্যমে।”
আকাশ অভির ঘোষণা, যা প্রচারণাকে আরও তীব্র করেছে
পোস্টারে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য—
“ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণই আমার লক্ষ্য। সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”
এই ঘোষণার পরই এলাকায় আলোড়ন আরও তীব্র হয়েছে।
মানুষ বলছে—
এরকম আত্মবিশ্বাসী, স্পষ্ট প্রতিশ্রুতির বক্তব্য আজকের রাজনীতিতে খুব কম শোনা যায়।
শহরজুড়ে প্রচারণার আগুন—যেখানে যান, সেখানেই শাপলা কলি
দুপুর-বিকেল-রাত—সময় মানা হচ্ছে না।
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, হেঁটে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, বাড়ি-বাড়ি প্রচার—আকাশ অভির কর্মীরা যেন ঢেউ তোলা তরঙ্গের মতো পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
মানুষ দলে দলে বেরিয়ে আসছে, হাত তুলে প্রতীক দেখাচ্ছে।
সবচেয়ে অবাক করা দৃশ্য—
এই প্রচারণায় তরুণদের অংশগ্রহণ রেকর্ড পরিমাণ।
ফেসবুক, টিকটক, রিল—সবখানে আকাশ অভি এখন আলোচনার কেন্দ্র।
বিপরীতপক্ষের চাপ কমছে—জনগণের দৃঢ় অবস্থান আকাশ অভির পক্ষে
নেত্রকোনার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—
এই গণজোয়ার দেখে পুরনো কর্তৃত্বশীল গোষ্ঠী এখন স্পষ্টভাবে চাপে।
মানুষ আর আগের সেই ভয়, হুমকি, প্রভাবশালী রাজনীতিকে মানতে রাজি না।
স্থানীয় ভোটারের শক্তিশালী মন্তব্য
একজন স্থানীয় প্রবীণ ভোটার বলেন—
“বিগত সময়ে যারা এনসিপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ঘুরেছে, তাদের বেশিরভাগই ভিতরে ভিতরে আওয়ামী লীগের লোক ছিল। তারা দলের নাম ব্যবহার করেছে শুধু নিজের স্বার্থের জন্য। কিন্তু আকাশ অভি ছাড়া এ আসনে এমন কাউকে পাইনি যিনি সত্যিকারের এনসিপি-র আদর্শে থেকেছেন। অভির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়ম, রেজিস্ট্রি জালিয়াতি বা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির অভিযোগ কখনও ওঠেনি—এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।”
তিনি আরও বলেন—
“এলাকায় যারা আগে এসেছে, তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই ঘুরেছে। কেবল আকাশ অভিই একমাত্র মানুষ, যাকে আমরা স্বচ্ছ, পরিষ্কার, সৎ এবং দলের প্রতি প্রকৃত বিশ্বস্ত হিসেবে দেখি।”
এনসিপির লক্ষ্য: পরিচ্ছন্ন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—
“নেত্রকোনায় রাজনীতি বদলাতে হলে, আকাশ অভি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”
নেত্রকোনার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আকাশ অভির অতীত ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পেছনে রয়েছে সরাসরি মাঠে লড়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা, আন্দোলন—সংগ্রাম এবং ঝুঁকির মুখেও সত্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস।
আকাশ অভি ছিলেন
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক,
যেখানে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের অধিকার, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এছাড়াও তিনি
The Red July – ময়মনসিংহ বিভাগের আহ্বায়ক
হিসেবে রাজনৈতিক নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, যুব অধিকার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় ওই সময়ে নানা মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল হয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ভূমিকা ছিল
সাগর হত্যা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়া—
যেখানে তিনি কোনো চাপ, ভয়ভীতি বা প্রলোভনকে তোয়াক্কা না করে সত্য প্রকাশে অটল ছিলেন। এই সাহসিকতা এলাকায় তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
তাছাড়া
১৯ জুলাইয়ের গণআন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং আন্দোলনের সময় আহত হন।
এই ঘটনাকে স্থানীয় জনগণ তাঁর ত্যাগ, সাহস এবং জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে দেখেন।
---
সারসংক্ষেপ (শক্তিশালী টোন):
✔ নেত্রকোনা-০২ আসনে এখন পরিবর্তনের ঝড়
✔ পোস্টার-ব্যানারে শহর ছাপিয়ে শাপলা কলির জোয়ার
✔ জনমনে আকাশ অভির নাম ঢেউ তুলছে
✔ পুরনো ত্রাস-রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত
✔ তরুণদের নেতৃত্বে অভি এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম
✔ জনগণ বলছে—“এই আসনে আকাশ অভি ছাড়া কাউকে চাই না”
মৃত্যুবরণ করেছেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি আহমদ মোস্তফা খান বাচ্চু (৮০) মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) জেলা কারাগারে মারা গেছেন।
সুপার এস এম কামরুজ্জামান জানান, বাচ্চু গত ২৪ এপ্রিল থেকে কারাগারে ছিলেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে তাকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বাচ্চু চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুর দরবার শরীফ এলাকার বাসিন্দা। তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় এনায়েতপুর থানায় হামলা ও ১৫ পুলিশ হত্যা মামলাসহ চারটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারে হস্তান্তর করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, নেত্রকোনা:
নেত্রকোনা জেলায় প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর জেলা সমন্বয় সভা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক জনাব সার্জিস আলম।
সভাস্থলে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
গাড়ি থেকে নামার মুহূর্তে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়। 🌹
এ সময় পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে স্লোগান ও অভিনন্দনে।
সভায় নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় সংগঠনের কাঠামো আরও শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ, এবং সংগঠনের আদর্শ জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত সাংগঠনিক আলাপ-আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথি জনাব সার্জিস আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন,
> “জাতীয় নাগরিক পার্টি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক ন্যায়ের পথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আমাদের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা কমিটিকে আরও সংগঠিত ও গতিশীল হতে হবে।”
তিনি আরও নেত্রকোনা জেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে সংগঠনের কাজ আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।
সভায় বক্তারা বলেন,
> “জাতীয় নাগরিক পার্টি আজ জনগণের আস্থা অর্জনের পথে।
নেত্রকোনা জেলা হবে সংগঠনের একটি আদর্শ ও সক্রিয় ইউনিট।”
সভা শেষে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং আগামীর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
✍️ Red July new| নেত্রকোনা প্রতিনিধি
“ধর্ম যার, উৎসব তার — শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গঠনের দায়িত্ব সবার।” এই মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে The Red July নেত্রকোনা জেলা কমিটি সর্বোচ্চ সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছে এবং থাকবে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দূর্নীতি ও অনিয়মকে প্রশ্রয় না দিয়ে সকলের সহযোগিতায় একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
The Red July – নেত্রকোনা জেলা শাখা
সভাপতি: Md Musthahid Oli (অলি উল্লাহ রব্বানী)
সাধারণ সম্পাদক: Salman Hossain (সালামন হোসেন)