আজ বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ | সত্যের সন্ধানে রেড জুলাই নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
দেশ বিদেশের সর্বশেষ আপডেট পেতে রেড জুলাই নিউজের সাথেই থাকুন... সঠিক সংবাদ সবার আগে।

নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার: পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ, স্বস্তি ফিরছে পরিবারে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 








নেত্রকোনায় এক শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে । আটদিন ধরে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাজুড়ে যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটেছে এ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ছিল, ঘটনার পর তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি ও হত্যার হুমকি দিচ্ছিল বলে দাবি করেন তারা। বিভিন্ন মহলে সহায়তা চেয়েও কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে পরিবারটি হতাশ হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে পরিবারটি রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক, সাবেক এনসিপি সংসদীয় প্রার্থী (নেত্রকোনা সদর-০২) আকাশ অভির শরণাপন্ন হন। বিষয়টি জানার পর তিনি নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি তুলে ধরেন।

এরপর জেলা পুলিশের তৎপরতা জোরদার হয়। ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ ঘটনায় সচেতন মহল বলছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই জনআস্থার মূল ভিত্তি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে প্রশাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে এবং শিশুটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হবে।

এ ঘটনায় স্থানীয় নাগরিক সমাজও সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবেদনশীল মামলায় আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

পরবর্তী আইনি অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছে

https://youtube.com/shorts/whIPYrGv85k?si=eBJUgj2g02pkDs9L













নেত্রকোনায় শিক্ষকের লালসার শিকার ১১ বছরের শিশু: ৮ দিনেও গ্রেপ্তার না, সহায়তা না পেয়ে আকাশ অভির শরণাপন্ন পরিবার—অভিযানে নেমেছে প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নেত্রকোনায় শিক্ষকের লালসার শিকার ১১ বছরের শিশু: ৮ দিনেও গ্রেপ্তার না, সহায়তা না পেয়ে আকাশ অভির শরণাপন্ন পরিবার—অভিযানে নেমেছে প্রশাসন

নেত্রকোনায় এক শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানবিক ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই ঘটনায় মামলা দায়েরের আটদিন পার হলেও শুরুতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের।

পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন মহলে সহযোগিতা চাইলেও কার্যকর কোনো সহায়তা না পেয়ে তারা হতাশ হয়ে পড়েন।

অবশেষে ন্যায়বিচারের আশায় তারা রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক এবং সাবেক এনসিপি সংসদীয় প্রার্থী (নেত্রকোনা সদর-০২) আকাশ অভির শরণাপন্ন হন।

বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আকাশ অভি নেত্রকোনা সদর পুলিশ সুপার মহোদয় ও মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহোদয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এরপর থেকেই প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ডিবি পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন, অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং ভুক্তভোগী শিশুটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।



এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শুরু থেকেই যদি যথাযথ তৎপরতা দেখা যেত, তবে পরিবারটিকে এতদিন আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হতো না।

পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্র জানানো হবে।

আপনি চাইলে এটাকে আরও প্রতিবাদী বা আরও নিরপেক্ষ সংবাদভাষায় রূপান্তর করে দিতে পারি।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের দাবি জোরালো

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নতুন ডিবি ওসি মাহবুবুল হককে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা

ময়মনসিংহ জেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অবিলম্বে কঠোর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে না আনলে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

সম্প্রতি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মাহবুবুল হকের যোগদানকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, নতুন নেতৃত্বের অধীনে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়লে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হবে।

সুশীল সমাজের উদ্বেগ

শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, আইনজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা একাধিক আলোচনা সভায় বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়—একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের মতো মাদক সহজলভ্য হওয়ায় তরুণদের মধ্যে আসক্তির হার বাড়ছে। এর ফলে চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা এবং পারিবারিক অশান্তির ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাদের ভাষ্য, “নিয়মিত অভিযান যথেষ্ট নয়। মাদক চক্রের মূল হোতা ও বড় সরবরাহকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার না করলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”

নতুন ডিবি ওসিকে ঘিরে প্রত্যাশা

নতুন ডিবি ওসির প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা স্পষ্ট। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পেশাদারিত্ব, সততা ও কঠোরতার সমন্বয়ে পরিচালিত হলে মাদকবিরোধী অভিযানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে—

মাদক চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার

সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নজরদারি বৃদ্ধি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় বিশেষ অভিযান

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা

জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার

প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

উপসংহার

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। নতুন ডিবি ওসির নেতৃত্বে যদি সুপরিকল্পিত ও কঠোর অভিযান পরিচালিত হয়, তবে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখন দেখার বিষয়—প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং ময়মনসিংহ কত দ্রুত মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।

ময়মনসিংহে ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও ভূমিদখলের অভিযোগ, গ্রেফতার দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 






ময়মনসিংহ মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলহাসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমিদখলের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে হামলা-ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটত।





অভিযোগ রয়েছে, ভূমিদখল ছিল তার প্রধান কর্মকাণ্ডের একটি অংশ। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরও তার কার্যক্রম থেমে নেই বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। তাদের ভাষ্য, কিছু প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে থেকে এখনো বিভিন্ন ধরনের প্রভাব বিস্তার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ও তার সহযোগীরা।





স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার নামে মামলা থাকলেও এখনো তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আইনি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও কেন এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?






ময়মনসিংহের ৯ নং ওয়ার্ড কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নেত্রকোনায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১ মে) বেলা আড়াইটার দিকে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসআই খোরশেদ আলম ও এসআই নাজমুল হাসানের সহযোগিতায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মদন উপজেলার ২নং চানগাঁও ইউনিয়নের চানগাঁও শাহপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তি মোঃ রবিউল ইসলাম (৩২)। তিনি চানগাঁও শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত রোজ আলী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে তার কাছ থেকে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

নেত্রকোনায় ইয়াবা ক্রয়ের সময় আটক ৬ জন, জরিমানা ও কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


নেত্রকোনা সদর উপজেলার ৪ নং সিংহের বাংলা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।




বুধবার দুপুরে ইয়াবা ক্রয় করে ফেরার সময় স্থানীয় জনগণ তাদের আটক করে পুলিশ ও প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।




ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজনকে ৫০ টাকা করে মোট ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া একজনকে ২০ দিনের এবং আরেকজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। বাকি দুইজনকে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য থানায় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।




এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিরোনাম: নেত্রকোণায় মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য, ইয়াবাসহ তিন নারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর রেলক্রসিং এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ তিন নারী মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।




অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ৯৪০ পিস ইয়াবা, ২টি ল্যাপটপ, ১২টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল, যার ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।



নেত্রকোণা মডেল থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

🔴 Red July-এর পক্ষ থেকে বিবৃতি:
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
#নেত্রকোণা #মাদকবিরোধীঅভিযান #RedJuly

দুর্নীতিবাজ বিআরটিসি ম্যানেজার এনামুলের অপসারণ দাবিতে ফুঁসছে ছাত্র-জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 













নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কে চলাচলকারী বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাসে যাত্রী হয়রানি, স্টুডেন্ট পাস বাতিল করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে ফুঁসছে নেত্রকোনার সাধারণ যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযোগের মূল কেন্দ্রে রয়েছেন বিআরটিসি ময়মনসিংহ ডিপোর ম্যানেজার এনামুল হক। তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় নেত্রকোনা পৌরশহরের বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডের সামনের সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।





‘সচেতন নাগরিক ও ছাত্র সমাজ’ এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতৃবৃন্দ, সাধারণ শিক্ষার্থী, ভুক্তভোগী যাত্রী এবং বাসের সাবেক কর্মীরা। মানববন্ধনে বক্তারা ডিপো ম্যানেজারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, বাসের যন্ত্রাংশ চুরি, ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের সাথে চরম দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন।


মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহ বিভাগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আকাশ অভি অভিযোগ করেন, সরকার সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বাসগুলো দিলেও বর্তমান ম্যানেজার এনামুল হক শিক্ষার্থীদের কোনো ‘স্টুডেন্ট পাস’ দিচ্ছেন না। আগে শিক্ষার্থীরা এই সড়কে ৪০ টাকা বা হাফ ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারলেও, এখন তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক পুরো ৬০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে ডিপো ম্যানেজারকে ফোন করলে তিনি উল্টো শিক্ষার্থীদের সাথে চরম অসদাচরণ ও বাজে ব্যবহার করেন।





নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মম জানান, তিনি নিয়মিত শ্যামগঞ্জ থেকে নেত্রকোনায় যাতায়াত করেন। বাসের হেলপার ও সুপারভাইজাররা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়মিত বাজে ব্যবহার করে এবং হাফ ভাড়া নিতে অস্বীকৃতি জানায়। আরেক শিক্ষার্থী নাফিস জানান, বাসের স্টাফদের আচরণ এতটাই খারাপ, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।


মানববন্ধনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, গাড়িগুলোর ফিটনেস বলতে এখন আর কিছুই নেই। রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় প্রায়শই চাকা ফেটে যায়, সিট ভাঙা, ফ্যান ঘোরে না এবং জানালার গ্লাস না থাকায় বৃষ্টির দিনে যাত্রীদের ভিজে একাকার হতে হয়।


বিআরটিসি বাসের সাবেক সুপারভাইজার মো. রাব্বি জানান, তিনি গাড়ির বেহাল দশা এবং যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা ডিপো ম্যানেজারকে জানালে, ম্যানেজার এনামুল হক তাকে চাকরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করেন। রাব্বি গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, “ম্যানেজার নষ্ট ও পচা চাকা মেরামত করে বাসে লাগান এবং নতুন যন্ত্রাংশের ভুয়া বিল করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। বাসের পুরনো ফ্যানগুলোও খুলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।”






মানববন্ধনে মামুন নামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তারা শুরুতে লিজ নিয়ে বিআরটিসি বাসগুলো এ সড়কে চালু করেছিলেন। কিন্তু নতুন ম্যানেজার এনামুল হক দায়িত্ব নেওয়ার পরই তাদের কাছে মাসিক চাঁদা এবং মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের কাছ থেকে বাসের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া হয়।


মাশরুর আহমেদ মাহিন নামের আরেক প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী জানান, ম্যানেজার এনামুল হক এরআগে গোপালগঞ্জ ডিপোতেও ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন এবং সেখানেও তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দুর্নীতির দায়ে সেখান থেকে বদলি হয়ে আসার পরও তিনি তার স্বভাব বদলাননি। তার দুর্নীতির কারণেই বাসগুলোর আজ এমন জরাজীর্ণ অবস্থা।


এ বিষয়ে কথা বলতে ডিপো ম্যানেজার এনামুল হকের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ধরায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


মানববন্ধন থেকে সাধারণ যাত্রী ও ছাত্র সমাজ অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ ডিপো ম্যানেজার এনামুল হককে অপসারণের জোর দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট পাস ও হাফ ভাড়া পুনর্বহাল না করা হলে আগামীতে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কোনোভাবেই দুর্নীতির মাধ্যমে ছাত্র-জনতার অধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তারা।


ম্যানেজার এনামুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এখানেই শেষ নয়। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, ভুয়া ভাউচার, পুরাতন যন্ত্রাংশ দিয়ে গাড়ি মেরামত এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।


প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, এনামুল হকের নির্দেশে বাসের মেরামত কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের, পুরাতন এবং নষ্ট পার্টস ব্যবহার করা হতো। এমনকি পোড়া মবিল দিয়েও ইঞ্জিন চালানো হতো। কিন্তু কাগজের ভাউচারে দেখানো হতো একদম নতুন পার্টসের বিল! এভাবেই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অসাধু চক্র। জোড়াতালি দিয়ে বাস মেরামতের কারণে রাস্তায় ঘনঘন গাড়ি ব্রেকডাউন হতো। ফলে বাতিল হতো একের পর এক ট্রিপ। জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে থাকাকালীন মাত্র ১১ মাসেই ট্রিপ লস থেকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল এক কোটি টাকারও বেশি!


প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, এনামুল হকের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল বিশাল কমিশন সিন্ডিকেট। ‘মিজান মটরস’ নামক নির্দিষ্ট একটি দোকান থেকে মালামাল কেনা হতো এবং সেখান থেকে মোটা অংকের কমিশন নেওয়া হতো। এই কেনাকাটা থেকে ম্যানেজার এনামুল হক নিজে নিতেন ৩০% কমিশন, টেকনিক্যাল প্রধান মনির হোসেন নিতেন ১০% এবং সহকারী ফোরম্যান জাহিদ হোসেন সজিব নিতেন ৫% ভাগ! টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে এমন নজিরবিহীন অনিয়ম, লুটপাট, ট্রিপ লস এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়ার পরেও তাকে কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়নি। উল্টো তাকে ময়মনসিংহ বাস ডিপোতে বদলি করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের কাছে দুর্নীতিবাজদের জন্য ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।


গোপালগঞ্জে দুর্নীতির পাহাড় গড়া এই কর্মকর্তা বর্তমানে ময়মনসিংহে এসেও তার পুরোনো স্বভাব বদলাননি। বর্তমানে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা রুটেও ফিটনেসবিহীন বাস চালানো, শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট পাস বাতিল করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং চরম দুর্ব্যবহারের কারণে ফুঁসছে সাধারণ যাত্রী ও ছাত্র সমাজ।


যার বিরুদ্ধে এত পাহাড়সম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তিনি কীভাবে বহাল তবিয়তে পদে আসীন থাকেন, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপসারণ দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তার: ইলিয়াস আলী গুম নিয়ে নতুন তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




ঢাকা: সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ-কে গ্রেপ্তারের পর বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী-এর গুম সংক্রান্ত নতুন ও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন। তবে ঘটনার নেপথ্য, পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ডিবি ইতোমধ্যে তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে শেখ মামুন খালেদ জানিয়েছেন, গুমের সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল। ইলিয়াস আলী ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে একটি পার্শ্ববর্তী দেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং এ বিষয়ে আন্দোলনও করেন। এর ফলে তিনি তৎকালীন সরকারের রোষানলে পড়েন।

তিনি আরও দাবি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিএফআই প্রধান এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে গুমের নির্দেশনা দেন। পুরো অপারেশন বাস্তবায়ন করে র‍্যাব-১ এবং এতে ডিজিএফআইয়ের কিছু কর্মকর্তাও সহায়তা করেন।

এই মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান। জিজ্ঞাসাবাদে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার আগে ও পরে শেখ হাসিনা একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

সব প্রস্তুতি শেষে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে ইলিয়াস আলী ও তার ব্যক্তিগত গাড়িচালককে তুলে নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্রগুলো জানায়, তাদের র‍্যাব-১ সদর দপ্তরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে ১৭ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে কোনো এক সময়ে ইলিয়াস আলীকে হত্যা করে তার মরদেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

খেজুর বিতরণ নিয়ে প্রশ্ন: জেলা প্রশাসনের অজ্ঞতার দাবি, বরাদ্দ চেয়ে আবেদন রেড জুলাই ময়মনসিংহ জেলা কমিটির

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 












নিউজ:
ময়মনসিংহে খেজুর বিতরণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক ও মানবিক সংগঠন Red July – ময়মনসিংহ জেলা কমিটি জানিয়েছে, গত ৯ তারিখ তারা বিষয়টি জানতে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে যোগাযোগ করে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সে সময় জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাদের জানানো হয় যে খেজুর বিতরণ সংক্রান্ত বিষয়ে তারা অবগত নন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক একটি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকায় তার সাথে সরাসরি দেখা করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী হিসেবে খেজুর বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে রেড জুলাই ময়মনসিংহ জেলা কমিটি। এ লক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে, যাতে মানবিক সহায়তা হিসেবে কিছু খেজুর বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সংগঠনের নেতারা জানান, বরাদ্দ পাওয়া গেলে তা ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হবে।
রেড জুলাই ময়মনসিংহ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনুদান বা যেকোনো সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা 






শিরোনাম: ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণকারী কাজলের দ্রুত বিচারের দাবিতে Red July-এর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 











নিউজ:
ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত কাজলের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে সামাজিক সংগঠন Red July কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।






কর্মসূচিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আকাশ অভিসহ নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত থেকে শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।





স্মারকলিপি প্রদানকালে বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, ঘটনার বিচার সুনিশ্চিত করা হবে এবং সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আকাশ অভিকে বলেন, যেহেতু Red July শুরু থেকেই বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, তাই শেষ পর্যন্তও যেন তারা পাশে থাকে। তিনি নিজেও বিষয়টির সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করতে শেষ পর্যন্ত থাকবেন এবং মামলার অগ্রগতির বিষয়ে নিয়মিত আপডেট জানাতেও অনুরোধ করেন।






পরে Red July কেন্দ্রীয় কমিটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আকাশ অভির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ব্রাঞ্চ) মহোদয়ের অফিসে সাক্ষাৎ করলে তিনিও তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজখবর নেন এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, মামলার বিষয়ে যেকোনো সমস্যা বা নতুন তথ্য থাকলে সরাসরি আপডেট জানাতে।







এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। আজকের মানববন্ধন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গতকাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর রাখেন এবং প্রশাসনিকভাবে সহযোগিতা করেন।






উল্লেখযোগ্য, ধর্ষিতা মেয়ের বাবা বলেন, “শুরু থেকেই Red July আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে এবং বিচারের জন্য পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি ভরসা করছি, আমার মেয়েকে সঠিক বিচার দেওয়ার জন্য আমি একটি নির্ভরযোগ্য পাশে পেয়েছি।”





সংগঠনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আকাশ অভি জানান, অভিযুক্তকে গ্রেফতার থেকে শুরু করে মামলা দায়ের পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় Red July গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং ভুক্তভোগী শিশুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।





 কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আকাশ অভি আরও বলেন,
“সমাজে অপকর্ম, ধর্ষণ, হত্যা ও নিপীড়ন দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমরা দীর্ঘদিন যাবত অন্যায়ের বিরুদ্ধে অসহায়, দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের পাশে কাজ করে আসছি। সামনেও অসহায়দের পাশে থাকবো। যদি কেউ লাঞ্ছিত হয়, বঞ্চিত হয় বা কারো সাথে অন্যায় ও অবিচার করা হয়, তারা Red July কে স্মরণ করবে। আমরা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াবো।”








Red July কেন্দ্রীয় কমিটি
#JusticeForChild #RedJuly #ময়মনসিংহ
























শেরপুর জেলা কমিটির ভলেন্টিয়ার সাইফুল্লাহ আল ফারিশ ( শিহাব) বরখাস্ত: অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সদস্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



সাবহেডলাইন:

Red July কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে যে, সংগঠনের স্বার্থ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তাকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রমাণভিত্তিক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




সংবাদ:

শেরপুর জেলা, Red July – কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে যে, শেরপুর জেলার কমিটির ভলেন্টিয়ার সাইফুল্লাহ আল ফারিশ (শিহাব) কে সংগঠনের অর্থ আত্মসাৎ, রেজিস্ট্রেশন ফি ও সাংগঠনিক নথিপত্র নিজের কাছে রাখা, Red July এর নাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা এবং নারী সদস্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হয়েছে।




সংগঠন সূত্রে জানা যায়, তাকে বহুবার নথিপত্র ও তহবিল হস্তান্তর করতে বলা হলেও তিনি তা পালন করেননি। এছাড়া, তার নারী সদস্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণের প্রমাণ হিসেবে এসএমএস সংগৃহীত হয়েছে, যা কেন্দ্রীয় কমিটির জন্য উদ্বেগজনক।






কেন্দ্রীয় কমিটি জানিয়েছে, “উক্ত কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি, শৃঙ্খলা এবং আইন পরিপন্থী। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

Red July এর কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, সংগঠনের স্বার্থ ও নীতিভঙ্গকারী সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

কেন্দ্রীয় কমিটি এই পদক্ষেপকে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং সংগঠনের সুনাম রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখশেরপুর জেলা কমিটির ভলেন্টিয়ার সাইফুল্লাহ আল ফারিশ (শিহাব)  বরখাস্ত: অর্থ আত্মসাৎ, সংগঠনের নাম ক্ষুণ্ণ ও নারী সদস্যদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে করেছে।




পায়জামা খোলা ছিল, ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নিজস্ব প্রতিবেদক | নেত্রকোনা- Red July news
প্রকাশিত: ৭ মার্চ ২০২৬

​ফাঁকা বাড়িতে একা বসে ভাত খাচ্ছিল ৯ বছরের এক কন্যাশিশু। মা গিয়েছিলেন মাঠে ছাগল আনতে। এই সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে শিশুটির মরদেহ ওড়না দিয়ে ঘরের আড়ার (ধর্ণা) সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। পুলিশও প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি ধারণা করছে।

​শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

​এমন অমানবিক ও জঘন্য ঘটনায় পরিবারটিতে চলছে শোকের মাতম। সন্তান হারানো বাবা-মায়ের গগনবিদারী আর্তনাদ ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ।

​নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার সময় শিশুটি বাড়িতে একা ভাত খাচ্ছিল। তার মা চিনি আক্তার সেসময় মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে ঘরে ফিরেই তিনি দেখেন, ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে তার মেয়ের নিথর দেহ।

​তাত্ক্ষণিক মেয়েকে নামিয়ে চোখে-মুখে পানি দেন মা। তবে অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় দ্রুত তাকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা (ইসিজি) শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

​কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত শিশুটির মা চিনি আক্তার বলেন, “আমার মেয়ে বাড়িতে ভাত খাচ্ছিল। ঘরে কেউ ছিল না। এর মধ্যেই কী হয়ে গেল! আমি যখন আমার মাইয়াডারে ধর্ণা থাইক্কা নামাই, তখন তার পায়জামা খোলা ছিল। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যে এই জঘন্য কাজ করেছে, আমি তার কঠিন বিচার চাই।”

​খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যায় বারহাট্টা থানা পুলিশ। এই ঘটনার বিষয়ে বারহাট্টা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাদির আলী জানান, “ঘটনা শোনার পরপরই আমরা বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল ও আলামত দেখে মনে হচ্ছে, ধর্ণায় ঝোলানোর আগেই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ধর্ষণের বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার হবে। সেই অনুযায়ী আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

​বারহাট্টা থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নেত্রকোনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।




ময়মনসিংহ গাঙ্গীনারপাড় এলাকায় ফুটপাত মুক্ত করতে পুলিশের অভিযান...

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: Red July news

নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা গাঙ্গীনারপাড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে ফুটপাত দখল করে বসানো অস্থায়ী দোকানপাট, ভ্রাম্যমাণ স্টল এবং বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।







দীর্ঘদিন ধরে গাঙ্গীনারপাড় এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার কারণে পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হচ্ছিল, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।







জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে ফুটপাত দখল না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।





স্থানীয় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের অনেকেই পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর ফুটপাত কিছুটা হলেও দখলমুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল সহজ হবে।







ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।