আজ বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ | সত্যের সন্ধানে রেড জুলাই নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
দেশ বিদেশের সর্বশেষ আপডেট পেতে রেড জুলাই নিউজের সাথেই থাকুন... সঠিক সংবাদ সবার আগে।

নেত্রকোনায় গরিব অসহায় পরিবারের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ; রাতেই পুলিশের অভিযানে স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

🔴 আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই অসহায় পরিবারের আর্তনাদ

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় একটি গরিব ও অসহায় পরিবারের ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী রুমুর রানী সাহা (৫২) অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ভুক্তভোগী পরিবার অত্যন্ত গরিব ও অসহায় বলে জানা গেছে। জীবনের সঞ্চয় দিয়ে কেনা জমি রক্ষা করতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।




ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ২০০৭ সালে রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে সাড়ে তিন শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিবাদীপক্ষ ওই জমির উপর অবৈধ দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আগেই আদালতে মোকদ্দমা নং-৮৪/২০২৩ দায়ের করা হয়।

🔴 হামলা ও জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিবাদী প্রাননাথ চন্দ্র সরকার (৬২) এবং হাজী সেলিম (৫০) সহ তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন।

সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় বিবাদীপক্ষ ওই জমিতে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে জমি দখলের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার সময় ১ ও ২ নম্বর সাক্ষীসহ স্থানীয় অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

🔴 প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, অভিযোগের স্বপক্ষে ভাউচার, রিসিভ কপি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


বাদী পক্ষের ভিডিও বক্তব্যে-  


🔴 প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে এলাকায় স্বস্তি

অভিযোগ পাওয়ার পর নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার, স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এলাকাবাসী বলেন, আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলভাবে প্রশাসন কাজ করলে এ ধরনের ঘটনা কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

🔴 মানবিক দৃষ্টিকোণ

এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করছেন, একটি গরিব ও অসহায় পরিবারের ওপর এ ধরনের চাপ +ও দখলচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

🟥 উপসংহার

বর্তমান পরিস্থিতিতে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা কামনা করছেন স্থানীয় জনগণ। ভুক্তভোগী পরিবার আশা প্রকাশ করেছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।



📰 হেডলাইন: একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের স্মরণ: আকাশ অভি দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:




সাবহেড:আমিরহাট জেলা ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নেত্রকোনা সদর-২ এমপি প্রার্থী আকাশ অভি শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করে সতর্কবার্তা প্রদান।পোস্টের মূল অংশ:আজ, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নেত্রকোনা–ময়মনসিংহে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করে আকাশ অভি বলেন:“ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে যারা, তাদের রক্তেই লেখা আছে আমাদের স্বাধীনতার গল্প। আজকের দিন শুধু স্মরণ নয়, এটি জাতীয় অহংকারের দিন।” 🇧🇩তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত সময়ে দেশের শাসনপ্রণালীকে যে ত্রুটিপূর্ণ পথে নেওয়া হয়েছিল, তা প্রতিরোধ করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তার অঙ্গীকার অটল।“গণভোটে সামান্যও পরিবর্তন চাইলে, সংসদে যথাযথ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জুলাই সনদ বা সংসদে কেউ অনিয়ম করতে চাইলে, আমরা আইন ও ন্যায়ের পথে দাঁড়াব এবং প্রয়োজনে সংসদীয় পার্লামেন্টের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখব। ফ্যাসিস্ট নীতি বা বৈষম্য দেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা সর্বোচ্চভাবে রক্ষা করা হবে।”আকাশ অভি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু ইতিহাসের স্মরণ নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতীক। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান শহীদদের ত্যাগকে মনে রাখার এবং দেশের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার।

📰 শিরোনাম: পক্ষাঘাতে আক্রান্ত তরুণী জাকিয়া সুলতানার চিকিৎসায় এগিয়ে এলো ‘Red July’ — মানবিক সহায়তার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


 



ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন ২৭ বছর বয়সী পক্ষাঘাতে আক্রান্ত রোগী জাকিয়া সুলতানা গত চার দিন ধরে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতে ভোগা এ তরুণীর চিকিৎসা পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল।

রোগীর অসহায় পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তা সংগঠন ‘Red July’-এর সদস্য সামিউন নাহার মনি ও অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে আসেন। তারা হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসা প্রক্রিয়া তদারকি এবং প্রয়োজনীয় সেবাসমূহ নিশ্চিত করতে গত চার দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যথাযথ ও নিয়মিত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারলে জাকিয়া সুলতানার শারীরিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।

এ কারণে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিবর্গের কাছে সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করে জাকিয়া সুলতানাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়।





ময়মনসিংহ সম্ভুগঞ্জ বালিয়া মোড় বাজারে সেনাবাহিনীর গাড়ির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


 


ময়মনসিংহের সম্ভুগঞ্জ বালিয়া মোড় বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি গাড়ির সাথে যাত্রীবাহী যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল দিকে শেরপুর–ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বালিয়া মোড় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর একটি দায়িত্ব পালনরত গাড়ি মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী যানবাহনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে উভয় যানবাহনের সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় পরে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি ও অসতর্কভাবে চালানোর কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। তারা সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানান।




মাত্র ২৫০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলেন মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল ভাই। “নিশ্চয়ই আল্লাহর রহমত থেকে কাফির সম্প্রদায় ছাড়া আর কেউ হতাশ হয় না।” (সূরা ইউসুফ: ৮৭) So, আমাদের হতাশার কিছু নেই অভিনন্দন Abu Wahab Akanda Wahid ।একটি নতুন ময়মনসিংহ গড়ার প্রত্যাশা করছি।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

📰 ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন: জনঘনের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:
ডেস্ক রিপোর্ট | Red July News আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন। দীর্ঘ সময় পর এই নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক আগ্রহ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনঘন তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন। এটি কেবল একটি নির্বাচন নয়—এটি জনগণের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভোটাররা এবার নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী নেতা ও নীতি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পর ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গণতন্ত্রের শক্তি জনগণের হাতে—আর সেই শক্তির প্রকাশ ঘটে ভোটের মাধ্যমে। ত্রয়োদশ সংসদীয় নির্বাচন দেশের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে Red July – ত্রিশাল জেলা কমিটির বিশেষ উদ্যোগ: ভোটারদের জন্য বিনামূল্যে সিরিয়াল নম্বর ও ভোট কেন্দ্রের তথ্য প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


 

📰 বিস্তারিত সাবহেডলাইন / নিউজ বডি: প্রিয় দর্শক, সালামুআলাইকুম। আমি সামিনা, আপনারা দেখছেন Red July News। 🔴 ব্রেকিং নিউজ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উদ্যোগ নিয়েছে Red July – ত্রিশাল জেলা কমিটি। ভোটারদের জন্য বিনামূল্যে সিরিয়াল নম্বর ও ভোট কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। যেসব ভোটার নিজেদের সিরিয়াল নম্বর বা ভোট কেন্দ্র সম্পর্কে অবগত নন, তারা প্রয়োজনীয় তথ্যসহ কমিটির সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 📺 স্ক্রলিং টিকার জন্য প্রস্তাবিত লাইনসমূহ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে Red July – ত্রিশাল জেলা কমিটির উদ্যোগ বিনামূল্যে ভোটার সিরিয়াল নম্বর ও কেন্দ্র তথ্য প্রদান প্রয়োজনীয় তথ্যসহ যোগাযোগের আহ্বান ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধিই মূল লক্ষ্য Red July – ত্রিশাল জেলা কমিটি

🌟 Red July Foundation Bangladesh আহ্বান করছে দান করার জন্য!

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

❤️ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান – আপনার ছোট দানও বড় পরিবর্তন আনতে পারে ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ: Red July Foundation Bangladesh দেশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাধারণ মানুষকে দান করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় এবং জানিয়েছে, আপনার সহযোগিতা তাদের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে। 🌍 আমাদের লক্ষ্য Red July Foundation Bangladesh কাজ করছে— ✔ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা করা ✔ শিক্ষা ও মানবিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা ✔ সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রমে অবদান রাখা 💳 দান করার উপায় আপনি সহজেই নিচের অ্যাকাউন্টগুলোতে দান করতে পারেন: bKash (Personal): 01876026538 Nagad (Personal): 01876026538 Rocket (DBBL): 01876026538 🤝 মানুষের জন্য একত্রিত হোন একটি ছোট্ট দানও অনেক মানুষের জন্য বড় হাসি এবং জীবন পরিবর্তন আনতে পারে। Red July Foundation Bangladesh আপনার সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে। 📞 যোগাযোগ করুন মোবাইল: 01876026538 ফেসবুক পেজ: Red July Foundation Bangladesh�

🔴 ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে গোপন সন্ত্রাস ও অপকর্মের অভিযোগ: আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের কতিপয় নেতাকর্মী এখনো গোপনে প্রভাব বিস্তার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রলীগ নেতা মাহির ও তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আবু রায়হান, পলাশ, তৌকির, রোমান, ওয়ালিদ, রবিন, গৌরব পলাশ, আশিক, স্বাধীন ও রাজসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদককারবার, সিট বাণিজ্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, মাহির নিজেকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রৌনক খানের ঘনিষ্ঠ ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। মাঝেমধ্যেই কলেজের আবাসিক হলে তাদের অনুসারীদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায় এবং একেক তলায় একেকজনের মাধ্যমে সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তৌকির তরফদার, যিনি বর্তমানে ভিন্ন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন, তিনিও এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অপরদিকে ছাত্রলীগ ছেড়ে নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া কয়েকজন—বিশেষ করে ওয়ালিদ—এখনো পরোক্ষভাবে এই অপকর্মে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের একাংশ দাবি করেছেন, কলেজের একটি আবাসিক হলের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার সঙ্গে এই চক্রের যোগসাজশ রয়েছে, যার ফলে সিট বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। এতে করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ছাত্রদল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মতে, একটি অদৃশ্য কালো শক্তি পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলকে হল থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে, যা গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।
সাম্প্রতিক এক ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে, কলেজের জয়নুল আবেদীন হলে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল বলে মনে করছেন। এর আগেও এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। তাদের প্রশ্ন—এতসব অভিযোগ ও ঘটনার পরও প্রশাসনের এই নীরবতা সাধারণ ছাত্রসমাজ কীভাবে দেখবে?
এদিকে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রসমাজ ও গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিনিধিরা।
“অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেই ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে”—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

ময়মনসিংহে ‘রেড জুলাই’ সংগঠনের সদর দপ্তরের অনুমোদন ও ৩ মাসের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



 ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

মানবতার পাশে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগানকে ধারণ করে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠন রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর ময়মনসিংহ সদর দপ্তরের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩ (তিন) মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে ময়মনসিংহ অঞ্চলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—

১. আহ্বায়ক: মোঃ শওকত ফকির শাওন

২. সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: নীর আলুল কাইয়ুম

৩. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ আলমগীর

৪. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ বুরহান

৫. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ রানা

৬. সদস্য সচিব: মোঃ মামুন মিয়া

৭. সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ রুবেল মিয়া

৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ কায়সুল

৯. দপ্তর ও সমন্বয় সম্পাদক: মোঃ রাকিব মন্ডল

১০. প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক: মোঃ আবু কাইছার আলম

১১. ক্রীড়া সম্পাদক: মোঃ নাজমুল হাসান

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত করবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।

রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আকাশ অভি এবং সাধারণ সম্পাদক লামিয়া চৌধুরী কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই কমিটি মানবতার কল্যাণে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এমপি হবার আগেই চুরির রাস্তা করে নিলেন নেত্রকোণা সদর-বারহাট্টার এনসিপি প্রার্থী ফাহিম

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


প্রার্থীদের মিথ্যাচারের পরবর্তী প্রভাব

হলফনামায় মিথ্যা তথ্য শুধু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাই ক্ষুণ্ন করে না, ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকেও প্রভাবিত করে। একজন প্রার্থীর সম্পদ, মামলা বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ভোটারের জানার অধিকার। এসব তথ্য গোপন হলে ভোটার প্রকৃত যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হারান। দীর্ঘ মেয়াদে এতে জনপ্রতিনিধিত্বের প্রতি আস্থা কমে এবং নির্বাচনি ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 


নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম এ বিষয়ে বলেন, ‘হলফনামায় প্রার্থীদের মিথ্যাচার রোধে আরপিওতে এ ধরনের সংশোধনী অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে প্রয়োগের ওপর। কারণ শুধু আইন থাকলেই হবে না, রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে না পারলে হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি বদলাবে না।’ তার মতে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদে নৈতিক সংকট তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর।


ইসির আইনি বেড়াজাল ও পরিকল্পনা

হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি রোধে এবার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, হলফনামায় কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়ই তা বাতিল করা যাবে। এমনকি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এমপির পদ বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে ইসি।


এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে কমিশন। প্রার্থীদের জন্মতারিখ, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়, ঋণ, ফৌজদারি মামলার তথ্যসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলফনামায় বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি প্রার্থীর হলফনামার তথ্য অসত্য প্রমাণে দালিলিক কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।


প্রার্থীদের তথ্য গোপন রোধে ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধান প্রার্থীদের জন্য একটি বার্তা, এবার আর মিথ্যা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’ অরেক ইসি মো. আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটা তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরপিওতে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল হবে, এমনকি নির্বাচিত এমপি হলেও তার পদ চলে যেতে পারে।’


বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন হলফনামার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি পরীক্ষা। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


তাহলে ‘হাল বাংলা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশ্ন মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে কেন সদর-বারহাট্টা আসনের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠানের মনোনয়ন বাতিল হবে না!

প্রার্থীদের মিথ্যাচারের পরবর্তী প্রভাব
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য শুধু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাই ক্ষুণ্ন করে না, ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকেও প্রভাবিত করে। একজন প্রার্থীর সম্পদ, মামলা বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ভোটারের জানার অধিকার। এসব তথ্য গোপন হলে ভোটার প্রকৃত যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হারান। দীর্ঘ মেয়াদে এতে জনপ্রতিনিধিত্বের প্রতি আস্থা কমে এবং নির্বাচনি ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 

নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম এ বিষয়ে বলেন, ‘হলফনামায় প্রার্থীদের মিথ্যাচার রোধে আরপিওতে এ ধরনের সংশোধনী অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে প্রয়োগের ওপর। কারণ শুধু আইন থাকলেই হবে না, রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে না পারলে হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি বদলাবে না।’ তার মতে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদে নৈতিক সংকট তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর।

ইসির আইনি বেড়াজাল ও পরিকল্পনা
হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি রোধে এবার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, হলফনামায় কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়ই তা বাতিল করা যাবে। এমনকি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এমপির পদ বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে ইসি।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে কমিশন। প্রার্থীদের জন্মতারিখ, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়, ঋণ, ফৌজদারি মামলার তথ্যসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলফনামায় বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি প্রার্থীর হলফনামার তথ্য অসত্য প্রমাণে দালিলিক কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

প্রার্থীদের তথ্য গোপন রোধে ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধান প্রার্থীদের জন্য একটি বার্তা, এবার আর মিথ্যা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’ অরেক ইসি মো. আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটা তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরপিওতে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল হবে, এমনকি নির্বাচিত এমপি হলেও তার পদ চলে যেতে পারে।’

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন হলফনামার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি পরীক্ষা। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তাহলে ‘হাল বাংলা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশ্ন মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে কেন সদর-বারহাট্টা আসনের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠানের মনোনয়ন বাতিল হবে না!


 

গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে ময়মনসিংহে জেলা–উপজেলার আহত যোদ্ধা ও সামাজিক সংগঠনগুলোর বৃহৎ সমাবেশ ও পরিকল্পনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


🗳️ গণভোট ২০২৬

✋ দেশের চাবি আপনার হাতে

আসন্ন গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে জনমত গঠন, সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার এবং জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মিটিং হলে এক বৃহৎ ও তাৎপর্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত অরাজনৈতিক সাধারণ জুলাই আহত যোদ্ধারা, Red July সামাজিক সংগঠন, Warriors of July, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, গণভোট ২০২৬ দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জনগণের মতামতকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে আনতে এই গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই দল-মত নির্বিশেষে সকল সচেতন নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণভোটের পক্ষে কাজ করতে হবে।

সভায় আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করা, আহত যোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা ও ত্যাগকে সামনে রেখে জনসচেতনতা সৃষ্টি, শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন এবং আলোচনার ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ধারাবাহিক সভা, গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জনগণের অধিকার ও মতামত প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এরপর মিটিং শেষে অংশগ্রহণকারীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণা চালান এবং সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতা দিলদার হোসেন স্বপন, ফেনী

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১২ দলীয় জোটে অংশ নেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পদে থাকা পাঁচ নেতা পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সব কার্যক্রম থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। 


ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতা

দিলদার হোসেন স্বপন, ফেনীদিলদার হোসেন স্বপন, ফেনী

প্রকাশিত : ২২:৪১, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৪, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬


ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতাX

আরও দেখুন

TV & Video

সংবাদ সম্মেলন


জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১২ দলীয় জোটে অংশ নেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পদে থাকা পাঁচ নেতা পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সব কার্যক্রম থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।


পদত্যাগকারী নেতারা হলেন— এনসিপি ফেনী জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক শুভ ও আবদুর রহিম এবং সদস্য নূরে আজিম, জুনায়েদ হোসেন ও আজিজুল হক।


সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতি করার কথা বললেও বর্তমানে দলটি নিজস্ব মতাদর্শ থেকে সরে এসেছে। ব্যক্তিগত ও নীতিগত অবস্থান বিবেচনায় তারা স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজ থেকে তিনি দলের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।


✪ আরও পড়ুন: শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে কক্সবাজার যাবেন তারেক রহমান


পদত্যাগকারী নেতা ওমর ফারুক শুভ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যখন তিনদলীয় জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, তখন আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম। তখন সেটি ছিল রাষ্ট্র সংস্কার জোট। কিন্তু বর্তমানে যে জোটে দলটি যুক্ত হয়েছে, আমরা তার বিরোধিতা করছি। এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে নির্বাচনের জন্য জোটে যোগ দেয়ায় আমরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


পদত্যাগপত্রে অনুলিপি দেয়া হয়েছে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে, যার মধ্যে রয়েছেন- এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত ও সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক।
 

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুতের অনুরোধ জানানো হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়কে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে গতকাল সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


 

নেত্রকোনায় পুলিশি তৎপরতা ও আকাশ অভির সহায়তায় সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি: মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অপরাধী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



নেত্রকোনা: জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম ও মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালামের দ্রুত ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপে সম্প্রতি একটি গুরুতর অপরাধের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পুলিশি কার্যক্রমের প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে।
স্থানীয়রা জানান, পুলিশি তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এক স্থানীয় বিশ্লেষক বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায়বিচারে আস্থা অর্জনে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ যথাযথ উদাহরণ স্থাপন করেছে।”
পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালামের পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এদিকে এন সিপির (নেত্রকোনা সদর-০২ আসনের সংসদীয় পদপ্রার্থী) আকাশ অভি বরাবরই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। জুলাই আন্দলোন থেকে শুরু করে আজও তিনি ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও তাদের ধূসর চরিত্রধারীদের বাংলার মাটি চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আশা করি এই ধারাবাহিকতা ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।”
নেত্রকোনা জেলা পুলিশ এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

পুলিশ দেখে বারান্দা থেকে লাফ আওয়ামী লীগ নেতার, হাসপাতালে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানের সময় নিজ বাসার বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে আহত হন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে নগরের বাঘমারা এলাকায় নিজ বাসা থেকে পালাতে গিয়ে আহত হন কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কাজী মঞ্জুর মোর্শেদকে আটক করতে গতকাল রাত আটটার দিকে তাঁর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় বাসার দোতলার বারান্দা থেকে লাফিয়ে নিচে পড়েন তিনি। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে নগরের চরপাড়া মোড় এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মঞ্জুর মোর্শেদের স্ত্রী কাজী আসমা হক জানান, বিগত ৮-১০ বছর ধরে তাঁর স্বামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাঁর নামে কোনো মামলাও নেই। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন। গতকাল মঞ্জুর মোর্শেদের খোঁজে বাসায় আসেন একদল পুলিশ।

আসমা হকের দাবি, ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মঞ্জুর মোর্শেদ দোতলার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়েন। কিন্তু লাফিয়ে পালাতে গিয়ে পাশের সীমানাপ্রাচীরের দেয়ালে বাধাগ্রস্ত হয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত পান। এরপর পুলিশ চলে গেলে কিছুক্ষণ পর আশপাশের লোকজন মোর্শেদকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গতকাল রাত আটটার দিকে ওই ব্যক্তিকে (মঞ্জুর মোর্শেদ) সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাসায় অভিযানে যায় পুলিশ। কিন্তু বাসার গেট না খোলায় পুলিশ সেখান থেকে সরে আসে। আজ আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি।’

নেত্রকোনা বিএডিসি থেকে সার পাচার! কেন্দুয়া রামপুরায় গ্রামবাসীর হাতে ট্রাক আটক, এনসিপি প্রার্থী ফাহিম খান পাঠানের নাম ঘিরে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 











নেত্রকোনা:
নেত্রকোনা সদর বিএডিসি ভবন থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত কৃষি সার পাচারের ভয়াবহ চক্র আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গুদাম থেকে সার বেআইনিভাবে বের করা হয় এবং তা কেন্দ্রীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলার রামপুরা বাজারে আনা হয়। সেখানে গ্রামবাসী সরাসরি ট্রাকটি আটক করে, যা অভিযোগ অনুযায়ী পাচারকৃত সরকারি সার বহন করছিল।

তবে শুধু পাচারকারীরা নয়, এই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদেরও যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক, দুইজন কৃষি কর্মকর্তা এবং খালিয়াজুরি কৃষি অফিসার সহ স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দুয়া থানা পুলিশের কিছু সদস্যের সাহায্যে সার অবৈধভাবে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএডিসি ভবনের ভেতরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ছায়া ছাড়া এই পাচার সম্ভব নয়। গ্রামবাসীরা প্রকাশ্যে বলছে—
“সরকারি গুদাম থেকে সার বের হচ্ছে, প্রশাসন নীরব, অথচ সরকারি কর্মকর্তারাও এতে যুক্ত। এটি আর সাধারণ দুর্নীতি নয়, এটি একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট।”

এ ঘটনার সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী অংশ হলো—সিন্ডিকেটের কথোপকথনে এনসিপি নেত্রকোনা সদর–০২ আসনের সংসদীয় প্রার্থী ফাহিম খান পাঠানের নামও উঠে এসেছে। এই অভিযোগ ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ মানুষ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। প্রশ্ন তুলছে—
“সিন্ডিকেটকে কে রাজনৈতিকভাবে আশ্রয় দিচ্ছে? কার ছায়ায় এত বড় পাচারচক্র এত বেপরোয়া সাহস দেখাচ্ছে?”

গ্রামবাসী আরও বলছে—
“কৃষকের অধিকার লুট করার মতো সিন্ডিকেট আর ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক ছায়া সহ্য করবে না। এ ধরনের অপরাধে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা সরকারি পদবী কোনো রেহাই দিতে পারবে না।”

ঘটনার পর প্রশাসনকে অবগত করা হলেও এখনও কোনো তড়িৎ তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এতে জনমনে সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে—
“প্রশাসন কি সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের কাছে নীরব হয়ে পড়েছে?”

স্থানীয়দের দাবি স্পষ্ট—

নেত্রকোনা বিএডিসি ভবনের ভেতরের দুর্নীতিবাজদের দ্রুত শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনা হোক।

সার–মাফিয়া সিন্ডিকেট ও তাদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকদের মুখোশ উন্মোচিত করা হোক।

পাচার ও দুর্নীতিতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


গ্রামবাসীর ভাষায়—
“এবার আর কোনো সিন্ডিকেটের রাজনীতি চলবে না। দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা ছাড়া আমাদের শান্তি নেই।”

এই ঘটনা দেশের কৃষক ও সাধারণ জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য প্রশাসনের দায়িত্বকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। স্থানীয়রা আশা করছে, সরকার ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।


---




নেত্রকোনায় আকাশ অভির ঝড়: শাপলা কলি প্রতীকের জোয়ারে পুরনো রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নেত্রকোনায় আকাশ অভির ঝড়: শাপলা কলি প্রতীকের জোয়ারে পুরনো রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা

স্টাফ রিপোর্টার | নেত্রকোনা







নেত্রকোনা-০২ আসনে এবার নির্বাচনী বাতাস আর নরম নেই—

ঘূর্ণিঝড়ের মতো ফিরছে একটাই নাম: আকাশ অভি!

তরুণ সমাজ থেকে প্রবীণ ভোটার—সব জায়গায় এখন একটাই স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে—


“পরিবর্তন চাই! আকাশ অভি চাই!”


শহরের চিত্র এখন পুরো বদলে গেছে।

মেইন রোড, ব্যস্ত মোড়, ইউনিয়ন ভিলেজ, বাজার—যেদিকে চোখ যায়, সেখানেই শাপলা কলি প্রতীকের সাদা সমুদ্রে ঢেকে গেছে দেয়াল।

রাতভর পোস্টার লাগানোর দৃশ্য যেন উৎসবের মতো।

বলা হচ্ছে, গত দশকে এমন গণজোয়ার এই আসনে কেউ দেখেনি।


পুরনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে জনরোষ—নতুন আশার আলো আকাশ অভি


বছরের পর বছর যারা জনগণের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে,

যাদের রাজনীতি ছিল দমন-পীড়ন-দুর্নীতির চক্রে আটকে—

তাদের বিরুদ্ধে এবার আকাশ অভি হয়ে উঠেছেন সরাসরি চ্যালেঞ্জ।


জনগণের ভাষায়—


“আমরা আর ভয়-রাজনীতি, দলবাজি, স্বার্থের নেতৃত্ব চাই না।

এই আসন এবার ফেরত যাবে মানুষের হাতে—আকাশ অভির মাধ্যমে।”


আকাশ অভির ঘোষণা, যা প্রচারণাকে আরও তীব্র করেছে


পোস্টারে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য—

“ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণই আমার লক্ষ্য। সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”


এই ঘোষণার পরই এলাকায় আলোড়ন আরও তীব্র হয়েছে।

মানুষ বলছে—

এরকম আত্মবিশ্বাসী, স্পষ্ট প্রতিশ্রুতির বক্তব্য আজকের রাজনীতিতে খুব কম শোনা যায়।


শহরজুড়ে প্রচারণার আগুন—যেখানে যান, সেখানেই শাপলা কলি


দুপুর-বিকেল-রাত—সময় মানা হচ্ছে না।

মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, হেঁটে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, বাড়ি-বাড়ি প্রচার—আকাশ অভির কর্মীরা যেন ঢেউ তোলা তরঙ্গের মতো পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

মানুষ দলে দলে বেরিয়ে আসছে, হাত তুলে প্রতীক দেখাচ্ছে।


সবচেয়ে অবাক করা দৃশ্য—

এই প্রচারণায় তরুণদের অংশগ্রহণ রেকর্ড পরিমাণ।

ফেসবুক, টিকটক, রিল—সবখানে আকাশ অভি এখন আলোচনার কেন্দ্র।


বিপরীতপক্ষের চাপ কমছে—জনগণের দৃঢ় অবস্থান আকাশ অভির পক্ষে


নেত্রকোনার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—

এই গণজোয়ার দেখে পুরনো কর্তৃত্বশীল গোষ্ঠী এখন স্পষ্টভাবে চাপে।

মানুষ আর আগের সেই ভয়, হুমকি, প্রভাবশালী রাজনীতিকে মানতে রাজি না।


 

স্থানীয় ভোটারের শক্তিশালী মন্তব্য


একজন স্থানীয় প্রবীণ ভোটার বলেন—

“বিগত সময়ে যারা এনসিপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ঘুরেছে, তাদের বেশিরভাগই ভিতরে ভিতরে আওয়ামী লীগের লোক ছিল। তারা দলের নাম ব্যবহার করেছে শুধু নিজের স্বার্থের জন্য। কিন্তু আকাশ অভি ছাড়া এ আসনে এমন কাউকে পাইনি যিনি সত্যিকারের এনসিপি-র আদর্শে থেকেছেন। অভির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়ম, রেজিস্ট্রি জালিয়াতি বা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির অভিযোগ কখনও ওঠেনি—এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।”


তিনি আরও বলেন—

“এলাকায় যারা আগে এসেছে, তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই ঘুরেছে। কেবল আকাশ অভিই একমাত্র মানুষ, যাকে আমরা স্বচ্ছ, পরিষ্কার, সৎ এবং দলের প্রতি প্রকৃত বিশ্বস্ত হিসেবে দেখি।”


এনসিপির লক্ষ্য: পরিচ্ছন্ন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা


দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—


“নেত্রকোনায় রাজনীতি বদলাতে হলে, আকাশ অভি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”

নেত্রকোনার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আকাশ অভির অতীত ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পেছনে রয়েছে সরাসরি মাঠে লড়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা, আন্দোলন—সংগ্রাম এবং ঝুঁকির মুখেও সত্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস।


আকাশ অভি ছিলেন

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক,

যেখানে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের অধিকার, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন।


এছাড়াও তিনি

The Red July – ময়মনসিংহ বিভাগের আহ্বায়ক

হিসেবে রাজনৈতিক নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, যুব অধিকার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় ওই সময়ে নানা মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল হয়েছে।


সবচেয়ে আলোচিত ভূমিকা ছিল

সাগর হত্যা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়া—

যেখানে তিনি কোনো চাপ, ভয়ভীতি বা প্রলোভনকে তোয়াক্কা না করে সত্য প্রকাশে অটল ছিলেন। এই সাহসিকতা এলাকায় তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।


তাছাড়া

১৯ জুলাইয়ের গণআন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং আন্দোলনের সময় আহত হন।

এই ঘটনাকে স্থানীয় জনগণ তাঁর ত্যাগ, সাহস এবং জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে দেখেন।


---


সারসংক্ষেপ (শক্তিশালী টোন):


✔ নেত্রকোনা-০২ আসনে এখন পরিবর্তনের ঝড়

✔ পোস্টার-ব্যানারে শহর ছাপিয়ে শাপলা কলির জোয়ার

✔ জনমনে আকাশ অভির নাম ঢেউ তুলছে

✔ পুরনো ত্রাস-রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত

✔ তরুণদের নেতৃত্বে অভি এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম

✔ জনগণ বলছে—“এই আসনে আকাশ অভি ছাড়া কাউকে চাই না”