আজ বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ | সত্যের সন্ধানে রেড জুলাই নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
দেশ বিদেশের সর্বশেষ আপডেট পেতে রেড জুলাই নিউজের সাথেই থাকুন... সঠিক সংবাদ সবার আগে।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের দাবি জোরালো

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নতুন ডিবি ওসি মাহবুবুল হককে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা

ময়মনসিংহ জেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অবিলম্বে কঠোর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে না আনলে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

সম্প্রতি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মাহবুবুল হকের যোগদানকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, নতুন নেতৃত্বের অধীনে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়লে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হবে।

সুশীল সমাজের উদ্বেগ

শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, আইনজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা একাধিক আলোচনা সভায় বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়—একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের মতো মাদক সহজলভ্য হওয়ায় তরুণদের মধ্যে আসক্তির হার বাড়ছে। এর ফলে চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা এবং পারিবারিক অশান্তির ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাদের ভাষ্য, “নিয়মিত অভিযান যথেষ্ট নয়। মাদক চক্রের মূল হোতা ও বড় সরবরাহকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার না করলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”

নতুন ডিবি ওসিকে ঘিরে প্রত্যাশা

নতুন ডিবি ওসির প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা স্পষ্ট। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পেশাদারিত্ব, সততা ও কঠোরতার সমন্বয়ে পরিচালিত হলে মাদকবিরোধী অভিযানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে—

মাদক চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার

সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নজরদারি বৃদ্ধি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় বিশেষ অভিযান

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা

জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার

প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

উপসংহার

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। নতুন ডিবি ওসির নেতৃত্বে যদি সুপরিকল্পিত ও কঠোর অভিযান পরিচালিত হয়, তবে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখন দেখার বিষয়—প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং ময়মনসিংহ কত দ্রুত মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।

দুর্নীতিবাজ বিআরটিসি ম্যানেজার এনামুলের অপসারণ দাবিতে ফুঁসছে ছাত্র-জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 













নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কে চলাচলকারী বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাসে যাত্রী হয়রানি, স্টুডেন্ট পাস বাতিল করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে ফুঁসছে নেত্রকোনার সাধারণ যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা। এসব অভিযোগের মূল কেন্দ্রে রয়েছেন বিআরটিসি ময়মনসিংহ ডিপোর ম্যানেজার এনামুল হক। তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় নেত্রকোনা পৌরশহরের বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ডের সামনের সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।





‘সচেতন নাগরিক ও ছাত্র সমাজ’ এর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতৃবৃন্দ, সাধারণ শিক্ষার্থী, ভুক্তভোগী যাত্রী এবং বাসের সাবেক কর্মীরা। মানববন্ধনে বক্তারা ডিপো ম্যানেজারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, বাসের যন্ত্রাংশ চুরি, ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের সাথে চরম দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন।


মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহ বিভাগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আকাশ অভি অভিযোগ করেন, সরকার সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বাসগুলো দিলেও বর্তমান ম্যানেজার এনামুল হক শিক্ষার্থীদের কোনো ‘স্টুডেন্ট পাস’ দিচ্ছেন না। আগে শিক্ষার্থীরা এই সড়কে ৪০ টাকা বা হাফ ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারলেও, এখন তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক পুরো ৬০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে ডিপো ম্যানেজারকে ফোন করলে তিনি উল্টো শিক্ষার্থীদের সাথে চরম অসদাচরণ ও বাজে ব্যবহার করেন।





নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মম জানান, তিনি নিয়মিত শ্যামগঞ্জ থেকে নেত্রকোনায় যাতায়াত করেন। বাসের হেলপার ও সুপারভাইজাররা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়মিত বাজে ব্যবহার করে এবং হাফ ভাড়া নিতে অস্বীকৃতি জানায়। আরেক শিক্ষার্থী নাফিস জানান, বাসের স্টাফদের আচরণ এতটাই খারাপ, সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।


মানববন্ধনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, গাড়িগুলোর ফিটনেস বলতে এখন আর কিছুই নেই। রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় প্রায়শই চাকা ফেটে যায়, সিট ভাঙা, ফ্যান ঘোরে না এবং জানালার গ্লাস না থাকায় বৃষ্টির দিনে যাত্রীদের ভিজে একাকার হতে হয়।


বিআরটিসি বাসের সাবেক সুপারভাইজার মো. রাব্বি জানান, তিনি গাড়ির বেহাল দশা এবং যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা ডিপো ম্যানেজারকে জানালে, ম্যানেজার এনামুল হক তাকে চাকরি থেকে সরাসরি বরখাস্ত করেন। রাব্বি গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, “ম্যানেজার নষ্ট ও পচা চাকা মেরামত করে বাসে লাগান এবং নতুন যন্ত্রাংশের ভুয়া বিল করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। বাসের পুরনো ফ্যানগুলোও খুলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।”






মানববন্ধনে মামুন নামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তারা শুরুতে লিজ নিয়ে বিআরটিসি বাসগুলো এ সড়কে চালু করেছিলেন। কিন্তু নতুন ম্যানেজার এনামুল হক দায়িত্ব নেওয়ার পরই তাদের কাছে মাসিক চাঁদা এবং মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের কাছ থেকে বাসের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া হয়।


মাশরুর আহমেদ মাহিন নামের আরেক প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী জানান, ম্যানেজার এনামুল হক এরআগে গোপালগঞ্জ ডিপোতেও ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন এবং সেখানেও তার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দুর্নীতির দায়ে সেখান থেকে বদলি হয়ে আসার পরও তিনি তার স্বভাব বদলাননি। তার দুর্নীতির কারণেই বাসগুলোর আজ এমন জরাজীর্ণ অবস্থা।


এ বিষয়ে কথা বলতে ডিপো ম্যানেজার এনামুল হকের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ধরায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


মানববন্ধন থেকে সাধারণ যাত্রী ও ছাত্র সমাজ অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ ডিপো ম্যানেজার এনামুল হককে অপসারণের জোর দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট পাস ও হাফ ভাড়া পুনর্বহাল না করা হলে আগামীতে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কোনোভাবেই দুর্নীতির মাধ্যমে ছাত্র-জনতার অধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তারা।


ম্যানেজার এনামুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এখানেই শেষ নয়। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, ভুয়া ভাউচার, পুরাতন যন্ত্রাংশ দিয়ে গাড়ি মেরামত এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি করেছেন বলে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।


প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ, এনামুল হকের নির্দেশে বাসের মেরামত কাজে অত্যন্ত নিম্নমানের, পুরাতন এবং নষ্ট পার্টস ব্যবহার করা হতো। এমনকি পোড়া মবিল দিয়েও ইঞ্জিন চালানো হতো। কিন্তু কাগজের ভাউচারে দেখানো হতো একদম নতুন পার্টসের বিল! এভাবেই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অসাধু চক্র। জোড়াতালি দিয়ে বাস মেরামতের কারণে রাস্তায় ঘনঘন গাড়ি ব্রেকডাউন হতো। ফলে বাতিল হতো একের পর এক ট্রিপ। জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে থাকাকালীন মাত্র ১১ মাসেই ট্রিপ লস থেকে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল এক কোটি টাকারও বেশি!


প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, এনামুল হকের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল বিশাল কমিশন সিন্ডিকেট। ‘মিজান মটরস’ নামক নির্দিষ্ট একটি দোকান থেকে মালামাল কেনা হতো এবং সেখান থেকে মোটা অংকের কমিশন নেওয়া হতো। এই কেনাকাটা থেকে ম্যানেজার এনামুল হক নিজে নিতেন ৩০% কমিশন, টেকনিক্যাল প্রধান মনির হোসেন নিতেন ১০% এবং সহকারী ফোরম্যান জাহিদ হোসেন সজিব নিতেন ৫% ভাগ! টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে এমন নজিরবিহীন অনিয়ম, লুটপাট, ট্রিপ লস এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়ার পরেও তাকে কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়নি। উল্টো তাকে ময়মনসিংহ বাস ডিপোতে বদলি করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টদের কাছে দুর্নীতিবাজদের জন্য ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।


গোপালগঞ্জে দুর্নীতির পাহাড় গড়া এই কর্মকর্তা বর্তমানে ময়মনসিংহে এসেও তার পুরোনো স্বভাব বদলাননি। বর্তমানে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা রুটেও ফিটনেসবিহীন বাস চালানো, শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট পাস বাতিল করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং চরম দুর্ব্যবহারের কারণে ফুঁসছে সাধারণ যাত্রী ও ছাত্র সমাজ।


যার বিরুদ্ধে এত পাহাড়সম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তিনি কীভাবে বহাল তবিয়তে পদে আসীন থাকেন, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপসারণ দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

পায়জামা খোলা ছিল, ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নিজস্ব প্রতিবেদক | নেত্রকোনা- Red July news
প্রকাশিত: ৭ মার্চ ২০২৬

​ফাঁকা বাড়িতে একা বসে ভাত খাচ্ছিল ৯ বছরের এক কন্যাশিশু। মা গিয়েছিলেন মাঠে ছাগল আনতে। এই সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে শিশুটির মরদেহ ওড়না দিয়ে ঘরের আড়ার (ধর্ণা) সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। পুলিশও প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি ধারণা করছে।

​শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিক্রমশ্রী গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি ওই গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

​এমন অমানবিক ও জঘন্য ঘটনায় পরিবারটিতে চলছে শোকের মাতম। সন্তান হারানো বাবা-মায়ের গগনবিদারী আর্তনাদ ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের পরিবেশ।

​নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার সময় শিশুটি বাড়িতে একা ভাত খাচ্ছিল। তার মা চিনি আক্তার সেসময় মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে ঘরে ফিরেই তিনি দেখেন, ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে তার মেয়ের নিথর দেহ।

​তাত্ক্ষণিক মেয়েকে নামিয়ে চোখে-মুখে পানি দেন মা। তবে অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় দ্রুত তাকে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা (ইসিজি) শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

​কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহত শিশুটির মা চিনি আক্তার বলেন, “আমার মেয়ে বাড়িতে ভাত খাচ্ছিল। ঘরে কেউ ছিল না। এর মধ্যেই কী হয়ে গেল! আমি যখন আমার মাইয়াডারে ধর্ণা থাইক্কা নামাই, তখন তার পায়জামা খোলা ছিল। আমার ছোট্ট শিশুটার সাথে যে এই জঘন্য কাজ করেছে, আমি তার কঠিন বিচার চাই।”

​খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যায় বারহাট্টা থানা পুলিশ। এই ঘটনার বিষয়ে বারহাট্টা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাদির আলী জানান, “ঘটনা শোনার পরপরই আমরা বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসি। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল ও আলামত দেখে মনে হচ্ছে, ধর্ণায় ঝোলানোর আগেই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ধর্ষণের বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার হবে। সেই অনুযায়ী আমরা কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

​বারহাট্টা থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নেত্রকোনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।




ময়মনসিংহ গাঙ্গীনারপাড় এলাকায় ফুটপাত মুক্ত করতে পুলিশের অভিযান...

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: Red July news

নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা গাঙ্গীনারপাড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে ফুটপাত দখল করে বসানো অস্থায়ী দোকানপাট, ভ্রাম্যমাণ স্টল এবং বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।







দীর্ঘদিন ধরে গাঙ্গীনারপাড় এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার কারণে পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে ফুটপাত ছেড়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হতে হচ্ছিল, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।







জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে ফুটপাত দখল না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।





স্থানীয় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের অনেকেই পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর ফুটপাত কিছুটা হলেও দখলমুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল সহজ হবে।







ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।




জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর পদ থেকে ৫ জেলার জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



যাদের প্রত্যাহার করা হলো:



১. মোহাম্মদ আলম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, গাজীপুর।

২. কাজী মো. সাইমুজ্জামান, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পঞ্চগড়।

৩. মো. ইকবাল হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়া। 

৪. মো. সাইফুল রহমান, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নেত্রকোনা। 

৫. মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

রাজধানীর চানখারপুলে শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান আনাসসহ ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ১৬৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।


রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত এই রায়ে তদন্ত সংস্থার গাফিলতি ও উদাসীনতার প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১।


পূর্ণাঙ্গ এই রায়ে ট্রাইব্যুনাল জানায়, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সদস্য সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও তদন্ত সংস্থা তাদের আসামি করেনি। অনেক দোষী সদস্যকে কেন এই মামলার আসামি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো, তার কোনো যৌক্তিক কারণ বা ব্যাখ্যা খুঁজে পায়নি ট্রাইব্যুনাল।


১৬৮ পৃষ্ঠার এই দীর্ঘ রায়ে চানখারপুলের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং আইনি যুক্তিতর্ক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তদন্ত সংস্থা যদি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতো, তবে অভিযুক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব সদস্যকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হতো।


উল্লেখ্য, চানখারপুলের মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।


এছাড়া, সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমরুল হাসানকে ৬ বছর, পরিদর্শক আরশাদ হোসেনকে ৪ বছর, তিন কনস্টেবল সুজন, ইমন, নাসিরুলকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।/এনএর।
 




📰 ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর,,,

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


📍 সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ:
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (Age 86) নিহত হয়েছেন বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম নিশ্চিত করেছে। �
Axios
খবর অনুযায়ী তিনি ইউএস ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় মারা গেছেন — ধারণা করা হচ্ছে তাঁর তেহরানস্থ বাসভবনে আক্রমণ হওয়ার পর তার দেহ পাওয়া গেছে। �
Axios
খামেনির মৃত্যুতে ইরান ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে এবং দেশজুড়ে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। �
Axios
একই হামলায় খামেনির কিছু পরিবারের সদস্য মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। �
Axios
🧾 কেন এবং কিভাবে ঘটলো:
খবর সূত্র বলছে, সামরিক হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের অংশ, যেখানে ইরানের বিভিন্ন সংকটাপন্ন সাইড ও লক্ষ্যগুলো লক্ষ্য করা হয়েছিল। �
Business Standard
ইউএস প্রেসিডেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী এটি কেন্দ্রীয় সরকার ও মানবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে কর্মধারা ও নীতির পরিবর্তন টানতে করা হয়েছে। �
PBS
খামেনি দীর্ঘ ব্রত ও কঠোর নীতিতে ইরানকে চালিয়ে আসছিলেন এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তার শাসনের সময় অনেক বৃদ্ধি পায়েছিল। �
Business Standard
📌 পটভূমি:
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এবং দেশটির সামরিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সিদ্ধান্তের প্রধান নায়ক ছিলেন। �
Wikipedia
🧠 এখন পরিস্থিতি কী?
তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যত ও নেতৃত্বের উত্তরাধিকার সম্পর্কে বিশ্লেষকদের মধ্যে অস্থিরতা ও বিস্তৃত আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। �
Axios



📰 হেডলাইন: একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের স্মরণ: আকাশ অভি দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:




সাবহেড:আমিরহাট জেলা ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নেত্রকোনা সদর-২ এমপি প্রার্থী আকাশ অভি শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করে সতর্কবার্তা প্রদান।পোস্টের মূল অংশ:আজ, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নেত্রকোনা–ময়মনসিংহে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করা শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করে আকাশ অভি বলেন:“ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে যারা, তাদের রক্তেই লেখা আছে আমাদের স্বাধীনতার গল্প। আজকের দিন শুধু স্মরণ নয়, এটি জাতীয় অহংকারের দিন।” 🇧🇩তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত সময়ে দেশের শাসনপ্রণালীকে যে ত্রুটিপূর্ণ পথে নেওয়া হয়েছিল, তা প্রতিরোধ করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তার অঙ্গীকার অটল।“গণভোটে সামান্যও পরিবর্তন চাইলে, সংসদে যথাযথ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জুলাই সনদ বা সংসদে কেউ অনিয়ম করতে চাইলে, আমরা আইন ও ন্যায়ের পথে দাঁড়াব এবং প্রয়োজনে সংসদীয় পার্লামেন্টের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখব। ফ্যাসিস্ট নীতি বা বৈষম্য দেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে না। জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা সর্বোচ্চভাবে রক্ষা করা হবে।”আকাশ অভি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু ইতিহাসের স্মরণ নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতীক। তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান শহীদদের ত্যাগকে মনে রাখার এবং দেশের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার।

🔴 ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে গোপন সন্ত্রাস ও অপকর্মের অভিযোগ: আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের কতিপয় নেতাকর্মী এখনো গোপনে প্রভাব বিস্তার, সন্ত্রাসী তৎপরতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের পক্ষ থেকে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রলীগ নেতা মাহির ও তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আবু রায়হান, পলাশ, তৌকির, রোমান, ওয়ালিদ, রবিন, গৌরব পলাশ, আশিক, স্বাধীন ও রাজসহ আরও কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে মাদককারবার, সিট বাণিজ্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, মাহির নিজেকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রৌনক খানের ঘনিষ্ঠ ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। মাঝেমধ্যেই কলেজের আবাসিক হলে তাদের অনুসারীদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায় এবং একেক তলায় একেকজনের মাধ্যমে সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তৌকির তরফদার, যিনি বর্তমানে ভিন্ন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন, তিনিও এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অপরদিকে ছাত্রলীগ ছেড়ে নিজেদের ‘সমন্বয়ক’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া কয়েকজন—বিশেষ করে ওয়ালিদ—এখনো পরোক্ষভাবে এই অপকর্মে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের একাংশ দাবি করেছেন, কলেজের একটি আবাসিক হলের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার সঙ্গে এই চক্রের যোগসাজশ রয়েছে, যার ফলে সিট বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। এতে করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ছাত্রদল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মতে, একটি অদৃশ্য কালো শক্তি পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদলকে হল থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে, যা গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।
সাম্প্রতিক এক ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে, কলেজের জয়নুল আবেদীন হলে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল বলে মনে করছেন। এর আগেও এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের নীরব ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। তাদের প্রশ্ন—এতসব অভিযোগ ও ঘটনার পরও প্রশাসনের এই নীরবতা সাধারণ ছাত্রসমাজ কীভাবে দেখবে?
এদিকে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড শক্ত হাতে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রসমাজ ও গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিনিধিরা।
“অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেই ক্যাম্পাসে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে”—এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

ময়মনসিংহে ‘রেড জুলাই’ সংগঠনের সদর দপ্তরের অনুমোদন ও ৩ মাসের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



 ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

মানবতার পাশে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগানকে ধারণ করে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকার সংগঠন রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর ময়মনসিংহ সদর দপ্তরের অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩ (তিন) মাসের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় গঠিত এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে ময়মনসিংহ অঞ্চলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—

১. আহ্বায়ক: মোঃ শওকত ফকির শাওন

২. সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: নীর আলুল কাইয়ুম

৩. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ আলমগীর

৪. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ বুরহান

৫. যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ রানা

৬. সদস্য সচিব: মোঃ মামুন মিয়া

৭. সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ রুবেল মিয়া

৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ কায়সুল

৯. দপ্তর ও সমন্বয় সম্পাদক: মোঃ রাকিব মন্ডল

১০. প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক: মোঃ আবু কাইছার আলম

১১. ক্রীড়া সম্পাদক: মোঃ নাজমুল হাসান

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই আহ্বায়ক কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত করবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।

রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা আকাশ অভি এবং সাধারণ সম্পাদক লামিয়া চৌধুরী কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবগঠিত এই কমিটি মানবতার কল্যাণে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এমপি হবার আগেই চুরির রাস্তা করে নিলেন নেত্রকোণা সদর-বারহাট্টার এনসিপি প্রার্থী ফাহিম

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


প্রার্থীদের মিথ্যাচারের পরবর্তী প্রভাব

হলফনামায় মিথ্যা তথ্য শুধু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাই ক্ষুণ্ন করে না, ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকেও প্রভাবিত করে। একজন প্রার্থীর সম্পদ, মামলা বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ভোটারের জানার অধিকার। এসব তথ্য গোপন হলে ভোটার প্রকৃত যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হারান। দীর্ঘ মেয়াদে এতে জনপ্রতিনিধিত্বের প্রতি আস্থা কমে এবং নির্বাচনি ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 


নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম এ বিষয়ে বলেন, ‘হলফনামায় প্রার্থীদের মিথ্যাচার রোধে আরপিওতে এ ধরনের সংশোধনী অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে প্রয়োগের ওপর। কারণ শুধু আইন থাকলেই হবে না, রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে না পারলে হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি বদলাবে না।’ তার মতে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদে নৈতিক সংকট তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর।


ইসির আইনি বেড়াজাল ও পরিকল্পনা

হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি রোধে এবার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, হলফনামায় কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়ই তা বাতিল করা যাবে। এমনকি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এমপির পদ বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে ইসি।


এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে কমিশন। প্রার্থীদের জন্মতারিখ, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়, ঋণ, ফৌজদারি মামলার তথ্যসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলফনামায় বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি প্রার্থীর হলফনামার তথ্য অসত্য প্রমাণে দালিলিক কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।


প্রার্থীদের তথ্য গোপন রোধে ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধান প্রার্থীদের জন্য একটি বার্তা, এবার আর মিথ্যা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’ অরেক ইসি মো. আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটা তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরপিওতে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল হবে, এমনকি নির্বাচিত এমপি হলেও তার পদ চলে যেতে পারে।’


বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন হলফনামার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি পরীক্ষা। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


তাহলে ‘হাল বাংলা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশ্ন মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে কেন সদর-বারহাট্টা আসনের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠানের মনোনয়ন বাতিল হবে না!

প্রার্থীদের মিথ্যাচারের পরবর্তী প্রভাব
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য শুধু নির্বাচনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাই ক্ষুণ্ন করে না, ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকেও প্রভাবিত করে। একজন প্রার্থীর সম্পদ, মামলা বা আয়সংক্রান্ত তথ্য ভোটারের জানার অধিকার। এসব তথ্য গোপন হলে ভোটার প্রকৃত যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ হারান। দীর্ঘ মেয়াদে এতে জনপ্রতিনিধিত্বের প্রতি আস্থা কমে এবং নির্বাচনি ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। 

নির্বাচন বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম এ বিষয়ে বলেন, ‘হলফনামায় প্রার্থীদের মিথ্যাচার রোধে আরপিওতে এ ধরনের সংশোধনী অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে প্রয়োগের ওপর। কারণ শুধু আইন থাকলেই হবে না, রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে না পারলে হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি বদলাবে না।’ তার মতে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সংসদে নৈতিক সংকট তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর।

ইসির আইনি বেড়াজাল ও পরিকল্পনা
হলফনামায় তথ্য গোপনের সংস্কৃতি রোধে এবার নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, হলফনামায় কোনো প্রার্থীর দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময়ই তা বাতিল করা যাবে। এমনকি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট এমপির পদ বাতিল করার ক্ষমতা পেয়েছে ইসি।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সব রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দিয়ে পরিপত্র জারি করে কমিশন। প্রার্থীদের জন্মতারিখ, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়, সম্পদ ও দায়, ঋণ, ফৌজদারি মামলার তথ্যসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলফনামায় বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। এসব তথ্য জনসমক্ষে প্রচার ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘কাউন্টার এফিডেভিট’ দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি প্রার্থীর হলফনামার তথ্য অসত্য প্রমাণে দালিলিক কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলে তা বাছাইয়ের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

প্রার্থীদের তথ্য গোপন রোধে ইসির পরিকল্পনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিধান প্রার্থীদের জন্য একটি বার্তা, এবার আর মিথ্যা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’ অরেক ইসি মো. আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সম্প্রতি জানিয়েছেন, ‘হলফনামায় যদি কেউ মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেটা তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরপিওতে আরও সুনির্দিষ্টভাবে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল হবে, এমনকি নির্বাচিত এমপি হলেও তার পদ চলে যেতে পারে।’

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচন হলফনামার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি পরীক্ষা। মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান যদি বাস্তবে কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তাহলে ‘হাল বাংলা’র অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রশ্ন মিথ্যা তথ্য দেয়ার কারণে কেন সদর-বারহাট্টা আসনের এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠানের মনোনয়ন বাতিল হবে না!


 

গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে ময়মনসিংহে জেলা–উপজেলার আহত যোদ্ধা ও সামাজিক সংগঠনগুলোর বৃহৎ সমাবেশ ও পরিকল্পনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


🗳️ গণভোট ২০২৬

✋ দেশের চাবি আপনার হাতে

আসন্ন গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জাতীয় পর্যায়ে জনমত গঠন, সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার এবং জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের মিটিং হলে এক বৃহৎ ও তাৎপর্যপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত অরাজনৈতিক সাধারণ জুলাই আহত যোদ্ধারা, Red July সামাজিক সংগঠন, Warriors of July, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, গণভোট ২০২৬ দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। জনগণের মতামতকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে আনতে এই গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই দল-মত নির্বিশেষে সকল সচেতন নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণভোটের পক্ষে কাজ করতে হবে।

সভায় আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করা, আহত যোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা ও ত্যাগকে সামনে রেখে জনসচেতনতা সৃষ্টি, শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন এবং আলোচনার ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ধারাবাহিক সভা, গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে জনগণের অধিকার ও মতামত প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এরপর মিটিং শেষে অংশগ্রহণকারীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণা চালান এবং সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আকাশ অভির কোতোয়ালি থানার ওসির আশ্বাস—২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:




 ময়মনসিংহ:

শহরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে অবাধে ঘোরাফেরা করলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন আকাশ অভি।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তথ্য থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের আইনের আওতায় না আনা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কোনো বিশেষ স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে যাঁর নাম উঠে এসেছে, তিনি এলাকায় পিন্টু সিফাত নামে পরিচিত (৪৭)। তাঁর পিতা পিন্টু মিয়া, বাড়ি নেত্রকোনা জেলা। স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক মহলে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলামিনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বর্তমানে তাকে ছাত্রদলের  ওয়ার্ড কমিটিকে কেন্দ্র করে ছাত্র দলের সঙ্গে  চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে বলে আলোচনা রয়েছে। জানা গেছে, তিনি কাচিজুলি মোড়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, পুলিশ লাইন, লাকীবাড়ী, কাসর এলাকার এক বাসিন্দা (নাম উল্লেখযোগ্য)—যিনি আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত—কোনো দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ ছাড়াই প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকাশ অভির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে আকাশ অভি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হলে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতা দিলদার হোসেন স্বপন, ফেনী

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১২ দলীয় জোটে অংশ নেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পদে থাকা পাঁচ নেতা পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সব কার্যক্রম থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। 


ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতা

দিলদার হোসেন স্বপন, ফেনীদিলদার হোসেন স্বপন, ফেনী

প্রকাশিত : ২২:৪১, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ২২:৪৪, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬


ফেনীতে পদত্যাগ করলেন এনসিপির ৫ নেতাX

আরও দেখুন

TV & Video

সংবাদ সম্মেলন


জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১২ দলীয় জোটে অংশ নেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখার বিভিন্ন পদে থাকা পাঁচ নেতা পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে সব কার্যক্রম থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।


পদত্যাগকারী নেতারা হলেন— এনসিপি ফেনী জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক শুভ ও আবদুর রহিম এবং সদস্য নূরে আজিম, জুনায়েদ হোসেন ও আজিজুল হক।


সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময় এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতি করার কথা বললেও বর্তমানে দলটি নিজস্ব মতাদর্শ থেকে সরে এসেছে। ব্যক্তিগত ও নীতিগত অবস্থান বিবেচনায় তারা স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজ থেকে তিনি দলের সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।


✪ আরও পড়ুন: শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে কক্সবাজার যাবেন তারেক রহমান


পদত্যাগকারী নেতা ওমর ফারুক শুভ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যখন তিনদলীয় জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, তখন আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম। তখন সেটি ছিল রাষ্ট্র সংস্কার জোট। কিন্তু বর্তমানে যে জোটে দলটি যুক্ত হয়েছে, আমরা তার বিরোধিতা করছি। এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না করে নির্বাচনের জন্য জোটে যোগ দেয়ায় আমরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


পদত্যাগপত্রে অনুলিপি দেয়া হয়েছে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে, যার মধ্যে রয়েছেন- এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, ফেনী জেলা আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত ও সদস্য সচিব শাহ ওয়ালি উল্লাহ মানিক।
 

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অধ্যাদেশ জারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তুতের অনুরোধ জানানো হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়কে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে গতকাল সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:


 

নেত্রকোনায় পুলিশি তৎপরতা ও আকাশ অভির সহায়তায় সাধারণ মানুষের আস্থা বৃদ্ধি: মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অপরাধী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



নেত্রকোনা: জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম ও মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালামের দ্রুত ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপে সম্প্রতি একটি গুরুতর অপরাধের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পুলিশি কার্যক্রমের প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে।
স্থানীয়রা জানান, পুলিশি তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এক স্থানীয় বিশ্লেষক বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায়বিচারে আস্থা অর্জনে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ যথাযথ উদাহরণ স্থাপন করেছে।”
পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালামের পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এদিকে এন সিপির (নেত্রকোনা সদর-০২ আসনের সংসদীয় পদপ্রার্থী) আকাশ অভি বরাবরই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। জুলাই আন্দলোন থেকে শুরু করে আজও তিনি ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট ও তাদের ধূসর চরিত্রধারীদের বাংলার মাটি চিরতরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আশা করি এই ধারাবাহিকতা ও নিষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।”
নেত্রকোনা জেলা পুলিশ এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

পুলিশ দেখে বারান্দা থেকে লাফ আওয়ামী লীগ নেতার, হাসপাতালে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 



ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানের সময় নিজ বাসার বারান্দা থেকে লাফ দিয়ে আহত হন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে নগরের বাঘমারা এলাকায় নিজ বাসা থেকে পালাতে গিয়ে আহত হন কাজী মঞ্জুর মোর্শেদ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কাজী মঞ্জুর মোর্শেদকে আটক করতে গতকাল রাত আটটার দিকে তাঁর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় বাসার দোতলার বারান্দা থেকে লাফিয়ে নিচে পড়েন তিনি। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে আহত অবস্থায় তাঁকে নগরের চরপাড়া মোড় এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মঞ্জুর মোর্শেদের স্ত্রী কাজী আসমা হক জানান, বিগত ৮-১০ বছর ধরে তাঁর স্বামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাঁর নামে কোনো মামলাও নেই। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন। গতকাল মঞ্জুর মোর্শেদের খোঁজে বাসায় আসেন একদল পুলিশ।

আসমা হকের দাবি, ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মঞ্জুর মোর্শেদ দোতলার বেলকনি থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়েন। কিন্তু লাফিয়ে পালাতে গিয়ে পাশের সীমানাপ্রাচীরের দেয়ালে বাধাগ্রস্ত হয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত পান। এরপর পুলিশ চলে গেলে কিছুক্ষণ পর আশপাশের লোকজন মোর্শেদকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গতকাল রাত আটটার দিকে ওই ব্যক্তিকে (মঞ্জুর মোর্শেদ) সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাসায় অভিযানে যায় পুলিশ। কিন্তু বাসার গেট না খোলায় পুলিশ সেখান থেকে সরে আসে। আজ আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি।’

নেত্রকোনা বিএডিসি থেকে সার পাচার! কেন্দুয়া রামপুরায় গ্রামবাসীর হাতে ট্রাক আটক, এনসিপি প্রার্থী ফাহিম খান পাঠানের নাম ঘিরে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 











নেত্রকোনা:
নেত্রকোনা সদর বিএডিসি ভবন থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত কৃষি সার পাচারের ভয়াবহ চক্র আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গুদাম থেকে সার বেআইনিভাবে বের করা হয় এবং তা কেন্দ্রীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলার রামপুরা বাজারে আনা হয়। সেখানে গ্রামবাসী সরাসরি ট্রাকটি আটক করে, যা অভিযোগ অনুযায়ী পাচারকৃত সরকারি সার বহন করছিল।

তবে শুধু পাচারকারীরা নয়, এই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদেরও যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমদাদুল হক, দুইজন কৃষি কর্মকর্তা এবং খালিয়াজুরি কৃষি অফিসার সহ স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দুয়া থানা পুলিশের কিছু সদস্যের সাহায্যে সার অবৈধভাবে ছাড়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএডিসি ভবনের ভেতরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ছায়া ছাড়া এই পাচার সম্ভব নয়। গ্রামবাসীরা প্রকাশ্যে বলছে—
“সরকারি গুদাম থেকে সার বের হচ্ছে, প্রশাসন নীরব, অথচ সরকারি কর্মকর্তারাও এতে যুক্ত। এটি আর সাধারণ দুর্নীতি নয়, এটি একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট।”

এ ঘটনার সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী অংশ হলো—সিন্ডিকেটের কথোপকথনে এনসিপি নেত্রকোনা সদর–০২ আসনের সংসদীয় প্রার্থী ফাহিম খান পাঠানের নামও উঠে এসেছে। এই অভিযোগ ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ মানুষ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। প্রশ্ন তুলছে—
“সিন্ডিকেটকে কে রাজনৈতিকভাবে আশ্রয় দিচ্ছে? কার ছায়ায় এত বড় পাচারচক্র এত বেপরোয়া সাহস দেখাচ্ছে?”

গ্রামবাসী আরও বলছে—
“কৃষকের অধিকার লুট করার মতো সিন্ডিকেট আর ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক ছায়া সহ্য করবে না। এ ধরনের অপরাধে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা সরকারি পদবী কোনো রেহাই দিতে পারবে না।”

ঘটনার পর প্রশাসনকে অবগত করা হলেও এখনও কোনো তড়িৎ তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এতে জনমনে সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে—
“প্রশাসন কি সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের কাছে নীরব হয়ে পড়েছে?”

স্থানীয়দের দাবি স্পষ্ট—

নেত্রকোনা বিএডিসি ভবনের ভেতরের দুর্নীতিবাজদের দ্রুত শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনা হোক।

সার–মাফিয়া সিন্ডিকেট ও তাদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পৃষ্ঠপোষকদের মুখোশ উন্মোচিত করা হোক।

পাচার ও দুর্নীতিতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


গ্রামবাসীর ভাষায়—
“এবার আর কোনো সিন্ডিকেটের রাজনীতি চলবে না। দুর্নীতির মূলোৎপাটন করা ছাড়া আমাদের শান্তি নেই।”

এই ঘটনা দেশের কৃষক ও সাধারণ জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য প্রশাসনের দায়িত্বকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। স্থানীয়রা আশা করছে, সরকার ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।


---




নেত্রকোনায় আকাশ অভির ঝড়: শাপলা কলি প্রতীকের জোয়ারে পুরনো রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা।

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নেত্রকোনায় আকাশ অভির ঝড়: শাপলা কলি প্রতীকের জোয়ারে পুরনো রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা

স্টাফ রিপোর্টার | নেত্রকোনা







নেত্রকোনা-০২ আসনে এবার নির্বাচনী বাতাস আর নরম নেই—

ঘূর্ণিঝড়ের মতো ফিরছে একটাই নাম: আকাশ অভি!

তরুণ সমাজ থেকে প্রবীণ ভোটার—সব জায়গায় এখন একটাই স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে—


“পরিবর্তন চাই! আকাশ অভি চাই!”


শহরের চিত্র এখন পুরো বদলে গেছে।

মেইন রোড, ব্যস্ত মোড়, ইউনিয়ন ভিলেজ, বাজার—যেদিকে চোখ যায়, সেখানেই শাপলা কলি প্রতীকের সাদা সমুদ্রে ঢেকে গেছে দেয়াল।

রাতভর পোস্টার লাগানোর দৃশ্য যেন উৎসবের মতো।

বলা হচ্ছে, গত দশকে এমন গণজোয়ার এই আসনে কেউ দেখেনি।


পুরনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে জনরোষ—নতুন আশার আলো আকাশ অভি


বছরের পর বছর যারা জনগণের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে,

যাদের রাজনীতি ছিল দমন-পীড়ন-দুর্নীতির চক্রে আটকে—

তাদের বিরুদ্ধে এবার আকাশ অভি হয়ে উঠেছেন সরাসরি চ্যালেঞ্জ।


জনগণের ভাষায়—


“আমরা আর ভয়-রাজনীতি, দলবাজি, স্বার্থের নেতৃত্ব চাই না।

এই আসন এবার ফেরত যাবে মানুষের হাতে—আকাশ অভির মাধ্যমে।”


আকাশ অভির ঘোষণা, যা প্রচারণাকে আরও তীব্র করেছে


পোস্টারে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য—

“ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণই আমার লক্ষ্য। সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”


এই ঘোষণার পরই এলাকায় আলোড়ন আরও তীব্র হয়েছে।

মানুষ বলছে—

এরকম আত্মবিশ্বাসী, স্পষ্ট প্রতিশ্রুতির বক্তব্য আজকের রাজনীতিতে খুব কম শোনা যায়।


শহরজুড়ে প্রচারণার আগুন—যেখানে যান, সেখানেই শাপলা কলি


দুপুর-বিকেল-রাত—সময় মানা হচ্ছে না।

মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, হেঁটে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, বাড়ি-বাড়ি প্রচার—আকাশ অভির কর্মীরা যেন ঢেউ তোলা তরঙ্গের মতো পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

মানুষ দলে দলে বেরিয়ে আসছে, হাত তুলে প্রতীক দেখাচ্ছে।


সবচেয়ে অবাক করা দৃশ্য—

এই প্রচারণায় তরুণদের অংশগ্রহণ রেকর্ড পরিমাণ।

ফেসবুক, টিকটক, রিল—সবখানে আকাশ অভি এখন আলোচনার কেন্দ্র।


বিপরীতপক্ষের চাপ কমছে—জনগণের দৃঢ় অবস্থান আকাশ অভির পক্ষে


নেত্রকোনার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—

এই গণজোয়ার দেখে পুরনো কর্তৃত্বশীল গোষ্ঠী এখন স্পষ্টভাবে চাপে।

মানুষ আর আগের সেই ভয়, হুমকি, প্রভাবশালী রাজনীতিকে মানতে রাজি না।


 

স্থানীয় ভোটারের শক্তিশালী মন্তব্য


একজন স্থানীয় প্রবীণ ভোটার বলেন—

“বিগত সময়ে যারা এনসিপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ঘুরেছে, তাদের বেশিরভাগই ভিতরে ভিতরে আওয়ামী লীগের লোক ছিল। তারা দলের নাম ব্যবহার করেছে শুধু নিজের স্বার্থের জন্য। কিন্তু আকাশ অভি ছাড়া এ আসনে এমন কাউকে পাইনি যিনি সত্যিকারের এনসিপি-র আদর্শে থেকেছেন। অভির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়ম, রেজিস্ট্রি জালিয়াতি বা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির অভিযোগ কখনও ওঠেনি—এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।”


তিনি আরও বলেন—

“এলাকায় যারা আগে এসেছে, তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই ঘুরেছে। কেবল আকাশ অভিই একমাত্র মানুষ, যাকে আমরা স্বচ্ছ, পরিষ্কার, সৎ এবং দলের প্রতি প্রকৃত বিশ্বস্ত হিসেবে দেখি।”


এনসিপির লক্ষ্য: পরিচ্ছন্ন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা


দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—


“নেত্রকোনায় রাজনীতি বদলাতে হলে, আকাশ অভি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”

নেত্রকোনার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আকাশ অভির অতীত ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পেছনে রয়েছে সরাসরি মাঠে লড়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা, আন্দোলন—সংগ্রাম এবং ঝুঁকির মুখেও সত্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস।


আকাশ অভি ছিলেন

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক,

যেখানে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের অধিকার, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন।


এছাড়াও তিনি

The Red July – ময়মনসিংহ বিভাগের আহ্বায়ক

হিসেবে রাজনৈতিক নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, যুব অধিকার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় ওই সময়ে নানা মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল হয়েছে।


সবচেয়ে আলোচিত ভূমিকা ছিল

সাগর হত্যা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়া—

যেখানে তিনি কোনো চাপ, ভয়ভীতি বা প্রলোভনকে তোয়াক্কা না করে সত্য প্রকাশে অটল ছিলেন। এই সাহসিকতা এলাকায় তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।


তাছাড়া

১৯ জুলাইয়ের গণআন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং আন্দোলনের সময় আহত হন।

এই ঘটনাকে স্থানীয় জনগণ তাঁর ত্যাগ, সাহস এবং জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে দেখেন।


---


সারসংক্ষেপ (শক্তিশালী টোন):


✔ নেত্রকোনা-০২ আসনে এখন পরিবর্তনের ঝড়

✔ পোস্টার-ব্যানারে শহর ছাপিয়ে শাপলা কলির জোয়ার

✔ জনমনে আকাশ অভির নাম ঢেউ তুলছে

✔ পুরনো ত্রাস-রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত

✔ তরুণদের নেতৃত্বে অভি এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম

✔ জনগণ বলছে—“এই আসনে আকাশ অভি ছাড়া কাউকে চাই না”