নেত্রকোনায় আকাশ অভির ঝড়: শাপলা কলি প্রতীকের জোয়ারে পুরনো রাজনৈতিক শক্তি কোণঠাসা।
ঘূর্ণিঝড়ের মতো ফিরছে একটাই নাম: আকাশ অভি!
তরুণ সমাজ থেকে প্রবীণ ভোটার—সব জায়গায় এখন একটাই স্লোগান ছড়িয়ে পড়েছে—
“পরিবর্তন চাই! আকাশ অভি চাই!”
শহরের চিত্র এখন পুরো বদলে গেছে।
মেইন রোড, ব্যস্ত মোড়, ইউনিয়ন ভিলেজ, বাজার—যেদিকে চোখ যায়, সেখানেই শাপলা কলি প্রতীকের সাদা সমুদ্রে ঢেকে গেছে দেয়াল।
রাতভর পোস্টার লাগানোর দৃশ্য যেন উৎসবের মতো।
বলা হচ্ছে, গত দশকে এমন গণজোয়ার এই আসনে কেউ দেখেনি।
পুরনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে জনরোষ—নতুন আশার আলো আকাশ অভি
বছরের পর বছর যারা জনগণের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে,
যাদের রাজনীতি ছিল দমন-পীড়ন-দুর্নীতির চক্রে আটকে—
তাদের বিরুদ্ধে এবার আকাশ অভি হয়ে উঠেছেন সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
জনগণের ভাষায়—
“আমরা আর ভয়-রাজনীতি, দলবাজি, স্বার্থের নেতৃত্ব চাই না।
এই আসন এবার ফেরত যাবে মানুষের হাতে—আকাশ অভির মাধ্যমে।”
আকাশ অভির ঘোষণা, যা প্রচারণাকে আরও তীব্র করেছে
পোস্টারে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য—
“ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণই আমার লক্ষ্য। সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”
এই ঘোষণার পরই এলাকায় আলোড়ন আরও তীব্র হয়েছে।
মানুষ বলছে—
এরকম আত্মবিশ্বাসী, স্পষ্ট প্রতিশ্রুতির বক্তব্য আজকের রাজনীতিতে খুব কম শোনা যায়।
শহরজুড়ে প্রচারণার আগুন—যেখানে যান, সেখানেই শাপলা কলি
দুপুর-বিকেল-রাত—সময় মানা হচ্ছে না।
মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, হেঁটে গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, বাড়ি-বাড়ি প্রচার—আকাশ অভির কর্মীরা যেন ঢেউ তোলা তরঙ্গের মতো পুরো এলাকাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
মানুষ দলে দলে বেরিয়ে আসছে, হাত তুলে প্রতীক দেখাচ্ছে।
সবচেয়ে অবাক করা দৃশ্য—
এই প্রচারণায় তরুণদের অংশগ্রহণ রেকর্ড পরিমাণ।
ফেসবুক, টিকটক, রিল—সবখানে আকাশ অভি এখন আলোচনার কেন্দ্র।
বিপরীতপক্ষের চাপ কমছে—জনগণের দৃঢ় অবস্থান আকাশ অভির পক্ষে
নেত্রকোনার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—
এই গণজোয়ার দেখে পুরনো কর্তৃত্বশীল গোষ্ঠী এখন স্পষ্টভাবে চাপে।
মানুষ আর আগের সেই ভয়, হুমকি, প্রভাবশালী রাজনীতিকে মানতে রাজি না।
স্থানীয় ভোটারের শক্তিশালী মন্তব্য
একজন স্থানীয় প্রবীণ ভোটার বলেন—
“বিগত সময়ে যারা এনসিপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ঘুরেছে, তাদের বেশিরভাগই ভিতরে ভিতরে আওয়ামী লীগের লোক ছিল। তারা দলের নাম ব্যবহার করেছে শুধু নিজের স্বার্থের জন্য। কিন্তু আকাশ অভি ছাড়া এ আসনে এমন কাউকে পাইনি যিনি সত্যিকারের এনসিপি-র আদর্শে থেকেছেন। অভির বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক অনিয়ম, রেজিস্ট্রি জালিয়াতি বা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির অভিযোগ কখনও ওঠেনি—এটাই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি।”
তিনি আরও বলেন—
“এলাকায় যারা আগে এসেছে, তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই ঘুরেছে। কেবল আকাশ অভিই একমাত্র মানুষ, যাকে আমরা স্বচ্ছ, পরিষ্কার, সৎ এবং দলের প্রতি প্রকৃত বিশ্বস্ত হিসেবে দেখি।”
এনসিপির লক্ষ্য: পরিচ্ছন্ন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—
“নেত্রকোনায় রাজনীতি বদলাতে হলে, আকাশ অভি ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।”
নেত্রকোনার স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আকাশ অভির অতীত ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পেছনে রয়েছে সরাসরি মাঠে লড়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা, আন্দোলন—সংগ্রাম এবং ঝুঁকির মুখেও সত্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস।
আকাশ অভি ছিলেন
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক,
যেখানে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের অধিকার, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এছাড়াও তিনি
The Red July – ময়মনসিংহ বিভাগের আহ্বায়ক
হিসেবে রাজনৈতিক নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন, যুব অধিকার ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় ওই সময়ে নানা মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল হয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ভূমিকা ছিল
সাগর হত্যা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়া—
যেখানে তিনি কোনো চাপ, ভয়ভীতি বা প্রলোভনকে তোয়াক্কা না করে সত্য প্রকাশে অটল ছিলেন। এই সাহসিকতা এলাকায় তাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।
তাছাড়া
১৯ জুলাইয়ের গণআন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং আন্দোলনের সময় আহত হন।
এই ঘটনাকে স্থানীয় জনগণ তাঁর ত্যাগ, সাহস এবং জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর বাস্তব প্রমাণ হিসেবে দেখেন।
---
সারসংক্ষেপ (শক্তিশালী টোন):
✔ নেত্রকোনা-০২ আসনে এখন পরিবর্তনের ঝড়
✔ পোস্টার-ব্যানারে শহর ছাপিয়ে শাপলা কলির জোয়ার
✔ জনমনে আকাশ অভির নাম ঢেউ তুলছে
✔ পুরনো ত্রাস-রাজনীতি প্রত্যাখ্যাত
✔ তরুণদের নেতৃত্বে অভি এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম
✔ জনগণ বলছে—“এই আসনে আকাশ অভি ছাড়া কাউকে চাই না”



মন্তব্যসমূহ